শিরোনাম
◈ মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র করে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের ◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:৩৬ বিকাল
আপডেট : ১১ মে, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর শিশু জায়ান হত্যা: রশির সূত্র ধরে গ্রেপ্তার প্রতিবেশী 

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সাত বছর বয়সী জায়ান রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে প্রতিবেশী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ। ঝুলন্ত মরদেহে ব্যবহৃত রশির সূত্র ধরেই ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় ইউনুচ মোল্যাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়। 

এরআগে সোমবার (২৪ নভেম্বর) তাকে নিজ বাড়ি থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে আনা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ইউনুচ মোল্যা আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত. মনির উদ্দিন মোল্যার ছেলে।

আলফাডাঙ্গা থানা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের গ্রীস প্রবাসী পলাশ মোল্যার ছেলে জায়ান রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ বাড়ির পাশের একটি বাগান থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই দিনই নিহতের মা সিনথিয়া বেগম অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে ওঠে শিশুটির ঝুলন্ত রশিটি। পুলিশ ওই রশির আলামত ধরে তদন্তে অগ্রসর হতে থাকে ও পার্শ্ববর্তী টাবনী বাজারের একটি মুদি দোকান থেকে রশিটি ক্রয়ের তথ্য পায়। পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার ১০ থেকে ১৫ দিন আগে প্রতিবেশী মো. ইউনুচ মোল্যা মফিজ খানের দোকান থেকে একটি রশি কিনেছিলেন, যার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া রশির মিল রয়েছে। ​এই তথ্যের ভিত্তিতেই ইউনুচ মোল্যাকে সন্দেহের তালিকায় এনে পুলিশ হেফাজতে আনা হয়। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি রশি ক্রয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেন। পুলিশের দাবি, এই অস্বীকারের ফলেই তাদের সন্দেহ আরও জোরালো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুজন বিশ্বাস জানান, 'কারাগারে গ্রেপ্তার রেখে মামলার নিবিড় তদন্ত পরিচালনার স্বার্থে এবং হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হবে।'

​আলফাডাঙ্গা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল আলম বলেন, 'ঘটনার সঙ্গে কিছুটা সম্পৃক্ততা ও রশি কেনার বিষয়ে মিথ্যা বলার কারণে সন্দেহের সৃষ্টি হওয়ায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।'

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়