মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু, ঢাকা: উত্তরা রাজলক্ষ্মী এলাকার আলাউদ্দিন টাওয়ারের সামনে প্রতিদিন শত শত মটর বাইক সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এতে করে সরকারি রাস্তার কিছু অংশ দখল হয়ে থাকে প্রতিদিন। অপরদিকে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সার দ্বারা দখল হয় আরো কিছু অংশ। রীতিমতো যানজটের জটলা লেগেই থাকে।
পথচারীরা হাঁটতে গিয়ে বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে দেখাযায়। এই বাইকগুলো মার্কেটে আগত ব্যবসায়ী ও কাস্টমারদের। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে এত বড় মার্কেট করার পরেও কেন তাদের বেজমেন্টে পার্কিং এর ব্যবস্থা রাখা হয়নি। যদিও আলাউদ্দিন টাওয়ারের বেজমেন্ট এ পার্কিংয়ের জায়গায় গড়ে উঠেছে বিশাল কাপড়ের দোকান। অলিউল্লাহ নামে জনৈক পথচারীকে বলতে শোনা যায় ব্যবসা করবেন আলাউদ্দিন টাওয়ারের ব্যবসায়ীরা আর কষ্ট করবো আমরা সাধারন পথচারীরা তা তো হতে দেওয়া যায় না।
আমেনা বেগম নামে একজন ৬০ বছর বয়সী একজন মহিলা বলেন আমরা বুড়া মানুষ রাস্তায় চলতে এমনিতেই সমস্যা তার উপর এতো গুলো মোটরসাইকেল রিক্সা যে ভাবে রাস্তা দখল করে রাখছে মনে হয়ে বাপ-দাদার ভিটা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মোটরসাইকেলের মালিক বলেন রাস্তায় গাড়ি রাখলে আপনার সমস্যা কোথায়? মার্কেটের মালিক কে গিয়ে বলেন আমরা মার্কেট করতে আসছি বাইক নিয়ে বাইক কি মাথায় করে নিয়ে যাব।
বিষয়টি জানার জন্য দায়িত্বরত সিকিউরিটি গার্ডকে প্রশ্ন করা হলে সেও কোন সন্তোষজনক উত্তর না দিয়ে বলেন মার্কেটের অফিসে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুন। নাম না প্রকাশের শর্তে জনৈক বাইকচালক বলেন গার্ড গুলোকে টাকা দিয়ে গাড়ি রাখি। আলাউদ্দিন টাওয়ারের লিফ্টের ৫ এ গিয়ে অফিসে পিয়ন ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়নি। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম্বার চাইলে সাংবাদিক শুনে পিয়ন নাম্বার দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে রাজলক্ষ্মী ট্রাফিক পুলিশ বক্স এর টিআই জলিলের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমরা নিয়মিত ভিডিও মামলা দিয়ে থাকি। গত রমজান মাসে রাজলক্ষ্মী মার্কেট এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরাতে গিয়ে ট্রেগ পুলিশের সাথে দোকানদার, মার্কেটের গার্ড ও গাড়ি মালিকের সাথে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। রমজানের ঈদের সময় ডিসি ট্রাফিক মার্কেট কমিটির লোকদের ডেকেছিলেন এ-ই সমস্যা সমাধানের জন্য। তারা ডাকে সাড়া দেননি । আমাকে জানিয়েছেন আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করিবো।