শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৯ জুন, ২০২২, ০২:২৫ রাত
আপডেট : ২৯ জুন, ২০২২, ১১:৫০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১২৭ ভারতীয় জেলেসহ ৮টি ফিশিং ট্রলার আটক

আটক জেলেরা নৌবাহিনীর হেফাজতে

ডেস্ক রিপোর্ট: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে অবৈধভাবে সামুদ্রিক মাছ শিকারের অভিযোগে ৮টি ফিশিং ট্রলারসহ ১২৭ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে নৌবাহিনীর সদস্যরা। সময় অনলাইন

সোমবার (২৭ জুন) রাতে বঙ্গোপসাগরের আদূরে বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলেদের নিয়ে মোংলায় না পৌঁছালেও গভীর রাতে জেলেদের মোংলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।

নৌবাহিনীর বরাত দিয়ে মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন জানান, বাংলাদেশ সরকার ইলিশসহ সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সকল প্রকার মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু দেশীয় জেলেরা অনাহারে থেকে তাদের সম্পদ রক্ষার চেষ্টা করলেও ভারতীয় জেলেরা প্রতিনিয়ত এ সম্পদ লুটে নিচ্ছে। তাই নৌবাহিনী তাদের নিয়মিত টহলরত অবস্থায় অভিযানকারী জাহাজে থাকা সদস্যরা বেশ কয়েকটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলারসহ জেলেদের বঙ্গোপসাগরের গভীরে মাছ ধরতে দেখতে পায়। এ সময় জেলেদের ধাওয়া করলে অন্য জেলেরা ভারতীয় সীমানায় দ্রুত পালিয়ে গেলেও ৮টি ফিশিং ট্রলারসহ ১২৭ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করতে সক্ষম হয় তারা। গত বছরও এ মৌসুমে বেশ কয়েকটি ট্রলারসহ প্রায় তিন শতাধিক ভারতীয় জেলে আটক হয়েছিল নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড সদস্যদের হাতে।

মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, ৮টি ট্রলার ও ১২৭ জন ভারতীয় জেলে আটকের খবর মৎস্য বিভাগ ও নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রথম বহরে আটক ৪টি ট্রলারে ৬৭ জন ভারতীয় জেলে ও দ্বিতীয় বহরে ৪টি ফিশিং ট্রলারে ৬০ জন জেলে রয়েছে বলে জানা গেছে। থানায় আনার পরে আটক জেলেদের বিরুদ্ধে ১৯৮৩ সালের সামুদ্রিক মৎস্য অধ্যাদেশের ২২ ধারায় মামলা দায়ের করা হবে।

বুধবার (২৯ জুন) সকালে আটক জেলেদের বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হবে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, আটক ৮টি ভারতীয় ফিশিং ট্রলারে সামুদ্রিক মাছ রয়েছে। এ মাছগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদারের নির্দেশনায় নিলামে বিক্রি করা হবে। বর্তমানে জেলেসহ ভারতীয় এ সকল ফিশিং ট্রলারগুলো মোংলার দিগরাজ নৌঘাঁটিতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। থানায় হস্তান্তরের পর ট্রলার ও জেলেদের নাম পরিচয় ও মাছের বিবরণ জানানো হবে বলেও জানান এ মৎস্য কর্মকর্তা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়