ডায়াবেটিস সাধারণত দুই ধরনের—টাইপ-১ ও টাইপ-২। টাইপ-১ ডায়াবেটিসে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষ ধ্বংস করে দেয়। অন্যদিকে, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে শরীরের কোষ ইনসুলিনের প্রতি যথাযথভাবে সাড়া দিতে পারে না। তবে কিছু মানুষের টাইপ-১ ডায়াবেটিসের পাশাপাশি ইনসুলিন প্রতিরোধক্ষমতাও তৈরি হতে পারে। এই অবস্থাকে সাধারণভাবে ‘ডাবল ডায়াবেটিস’ বলা হয়।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। দীর্ঘদিন রক্তে শর্করা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে হৃদ্যন্ত্র, চোখ, স্নায়ু ও কিডনির মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের জটিলতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
ইনসুলিন প্রতিরোধক্ষমতা সাধারণত টাইপ-২ ডায়াবেটিসের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে অতিরিক্ত ওজন, বিশেষ করে পেটের চারপাশে চর্বি জমা এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাবের মতো কারণে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তবে ‘ডাবল ডায়াবেটিস’ চিকিৎসাবিজ্ঞানে সর্বজনস্বীকৃত নির্দিষ্ট মানদণ্ডযুক্ত কোনো আনুষ্ঠানিক রোগনির্ণয় নয়। টাইপ-১ ডায়াবেটিসের পাশাপাশি ইনসুলিন প্রতিরোধক্ষমতার বৈশিষ্ট্য দেখা দিলে সাধারণভাবে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।