শিরোনাম

প্রকাশিত : ১১ জুলাই, ২০২২, ০৮:০১ সকাল
আপডেট : ১১ জুলাই, ২০২২, ১২:০২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেবিদ্বারে পৌঁছে গেছে গ্রীষ্মকালীন ফুলকপি 

ইউসুফের ফুলকপি ক্ষেত

সালেহ্ বিপ্লব: একসময় ফুলকপি ছিলো শীতকালীন সব্জি। কৃষি গবেষণা এগিয়েছে, বাংলাদেশে বহুদিন ধরেই শ্রাবণ থেকে কার্তিক পর্যন্ত তিন জাতের ফুলকপি চাষ হয়। আর বছর দুয়েক আগে এসেছে গরমকালের ফুলকপি। দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় চাষ শুরু হলেও কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় শুরু হয়েছে এ বছর।  

বাসস জানায়, গ্রীষ্মের ফুলকপি চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছেন বরকামতা গ্রামের কৃষক মো. ইউসুফ মিয়া। তিনি এলাকায় ‘আধুনিক কৃষক’ নামে খ্যাত। 

তিনি জানান, একর জমিতে ১২ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে।  ফাঁকে ফাঁকে লাগানো হয়েছে মরিচ ও ধনিয়া পাতা। রাসায়নিক নয়, ক্ষেতে দিয়েছেন জৈববালাই নাশক ও কেঁচো সার। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও ফুলকপির ব্যাপক উৎপাদন হয়েছে। ফুলকপির একেকটির ওজন ৮শত থেকে ১২শ গ্রাম।

ইউসুফ জানান, শীতকালের চেয়েও ভালো ফলন পেয়েছেন। বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় লাভবান হবেন বলে আশা করেন। তার সাফল্য দেখে আশপাশের কৃষকরাও গ্রীস্মকালীন ফুলকপি চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। 

তবে ইউসুফ এই সাফল্য প্রমাণ করার আগে গ্রামবাসী বিশ^াস করতে পারছিলেন না যে, গরমকালে ফুলকপি হবে। ইউসুফ জানান, ফুলকপির বীজ বপনের সময় অনেকেই বলেছে পাগলামি ছাড়ো। 

উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুর রউফ বলেন, ইউসুফ মিয়ার হাত ধরে দেবিদ্বার উপজেলায় গ্রীষ্মকালে প্রথম ফুলকপি চাষ হলো।

  • সর্বশেষ