শিরোনাম
◈ সংঘাতের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে ◈ দেশজুড়ে সহিংসতার ঘটনায় অভিযান, গ্রেপ্তার ২৭৪৭ ◈ আজ বিদেশি কূটনীতিকরা ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শনে যাবেন ◈ চলমান সংকটে রাজশাহীতে কৃষিখাতে দিনে ২০ কোটি টাকার ক্ষতি ◈ কারফিউ শিথিল সময়ে চলবে দূরপাল্লার বাস ◈ প্রাণহানি ও ধ্বংসাত্মক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব ◈ ড. ইউনূস রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ করেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সহিংসতা বন্ধে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছেন ড. ইউনূস ◈ নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ১৩৬ কয়েদির আত্মসমর্পণ ◈ কতজন শিক্ষার্থী মারা গেছেন, জানতে সময় লাগবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২৩, ০৬:০৭ বিকাল
আপডেট : ২৮ মার্চ, ২০২৩, ০৬:০৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুই মাস পর ঘরে ফিরলেন শারমিন আঁখি

শারমিন আঁখি

শিমুল চৌধুরী ধ্রুব: গত ২৮ জানুয়ারি মিরপুরের একটি শুটিং বাড়ির মেকআপ রুমে বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন অভিনেত্রী শারমিন আঁখি। সেদিনই তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেই বিস্ফোরণে আঁখির হাত, পা, চুলসহ শরীরের ৩৫ ভাগ পুড়ে যায়। এর মধ্যে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে প্লাজমা দিতে হয়েছিল। অবশেষে দীর্ঘ দুই মাস পর চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন তিনি। 

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রপড় দেয়া হয় তাকে। এসময় আইসিইউ থেকে বেঁচে ফেরায় সৃষ্টিকর্তাসহ চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বার্ন ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন শারমিন। সঙ্গে শ্বাসনালীও দগ্ধ ছিল। তাকে কয়েকদিন আইসিইউ’তেও রাখা হয়েছিল। অনেকটা যুদ্ধ করে তাকে সুস্থ করে তুলেছেন আমাদের চিকিৎসকরা। এজন্য আমরাও অনেক আনন্দিত। তবে এসব ঘটনা থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের এখনই সজাগ হতে হবে। নইলে এমন ঘটনার শিকার আমাদের হতেই হবে। সব মিলিয়ে দীর্ঘ দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ তাকে ছাড়পত্র দেয়া হলো।’

সাংবাদিকদের সঙ্গে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন শারমিন আঁখি। তিনি বলেন, ‘এখনও আমার সেই দিনের ঘটনা বারবার চোখে ভেসে ওঠে। আমি তখন শুটিংয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম; কস্টিউম পড়ার আগে বাথরুমে যাই। সেখানে লাইট চালু করতেই চোখের সামনে বারবার স্পার্ক হতে দেখি। এর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই নীল আগুনের লাভার মত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হলে আমি আমার হাত দিয়ে মুখ ঢাকি। তখন আমার হাতের চামড়া গুলো চটচট করে ফুটছিলো। বিস্ফোরণে বাথরুমের দরজা, ভিতরের সবকিছু তছনছ হয়ে যায়। আমি ছিটকে বাইরে এসে পড়ি।

তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর নানাভাবে কুৎসা রটানো হচ্ছিল যে, আমি বাথরুমে ধূমপান করার সময় সেখানে বিস্ফোরণ হয়। যেটি একদমই সত্য নয়। সেখানে জমে থাকা কোনো গ্যাস থেকেই এ বিস্ফোরণ হতে পারে।’ ঘটনাটি পরিকল্পিত কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি সেরকম মনে করছি না। আমার কাছে মনে হচ্ছে এটি একটি দুর্ঘটনা।’ সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলেও নিজের কাউন্সেলিং প্রয়োজন বলে জানান শারমিন।

সংবাদ সম্মেলনে তার স্বামী নির্মাতা রাহাত কবির বলেন, ‘দুর্ঘটনাটিতে শারমিন আখি ভুক্তভোগী হওয়ার পরেও এখনো হাউসটি বন্ধ হয়নি। যদি নুসরাত ইমরোজ তিশা এমন ঘটনার শিকার হতো তাহলে পরদিনই শুটিং হাউসটি বন্ধ হয়ে যেত। কারো দায়বদ্ধতা না থাকলে এমন ঘটনা ঘটবেই। ঘটনার পর প্রথম ২০ দিন শুটিং হাউসের মালিক আমাদের সঙ্গে একবারের জন্যও যোগাযোগ করেনি। তাদের উচিৎ ছিল প্রথমদিনই হাসপাতালে আসা। কিন্তু আসেননি।’

এসসিডি/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়