শিরোনাম
◈ স্পেনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে আশা টিকিয়ে রাখলো জার্মানি ◈ চীনে শি জিনপিংয়ের পদত্যাগের দাবিতে প্রকাশ্যে বিক্ষোভ ◈ টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ চালু না হলে দ্বীপে ধর্মঘট! ◈ বড় জয় দিয়ে শেষ ষোল নিশ্চিত করলো ক্রোয়েশিয়া ◈ ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, সেই ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত ◈ ভারত মহাসাগর নিয়ে ১৯ দেশের বৈঠকে চীন, নেই ভারত ◈ জুলুম-নির্যাতন করে জনবিষ্ফোরণ ঠেকাতে পারবে না সরকার: মির্জা ফখরুল ◈ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও করোনায় পিছিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ◈ বিএনপির সঙ্গে জোট করার প্রশ্নই আসে না: রওশন এরশাদ ◈ সালাম মুর্শেদীর বাড়ি নিয়ে দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় নয়: হাইকোর্ট

প্রকাশিত : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৭:০৪ বিকাল
আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৯:৩২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সংসদ নির্বাচনের আগেই ভোটারদের ১০ আঙুলের ছাপ নেবে ইসি

নির্বাচন কমিশন

সঞ্চয় বিশ্বাস : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই সবার দুই হাতের ১০ আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে আগামী বছর একটি কর্মসূচি নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।  মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে  নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর এ কথা বলেন। সমকাল, বাংলানিউজ, নিউজ২৪ 

তবে ইতোমধ্যে ১০ আঙুলের ছাপ দিয়ে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহকারীদের আর নতুন করে আঙুলের ছাপ লাগবে না।

সাবেক ওই ইসি সচিব বলেন, ১০ আঙুলের ছাপ নিলেও যদি একটি আঙুল মিলে যায় তাহলে ভোটার ভোট দিতে পারবে। এখন চার আঙুলের ছাপ থাকায় অনেকেই মেলে না। তখন প্রিজাইডিং কর্মকর্তার তার আঙুলের ছাপ দিয়ে সংশ্লিষ্টকে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেন। যার জন্য বারবার ইসিকে সমালোচনার মুখে পরতে হয়। তাই ১০ আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার ওই ক্ষমতার বিষয়টি আরও স্পষ্টিকরণ করা হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, ইলেট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দিলে প্রথম কন্ডিশন হলো যার ভোট তিনিই দেবেন। এটা নিশ্চিত করা হয়। অন্য জনের অনুপস্থিতিতে কেই কারো ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। ইভিএম যন্ত্রই বলে দেয় কেউ ভোটার কিনা, অর্থাৎ ফিঙ্গার প্রিন্ট যখন দেবে ইভিএমে সঙ্গে সঙ্গে নাম ছবি ভেসে ওঠবে। আর ওই কেন্দ্রের না হলে সেটাও বলে দেবে যে আপনি এই কেন্দ্রের ভোটার নন।

তিনি আরো বলেন, ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে দুটো কাজ এক সঙ্গে হয়। ভোটারের পরিচয় শনাক্তকরণ এবং ব্যালট ইউনিটে ব্যালট ওপেন হয়ে যায়। তখন ভেতরে গেলেই ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু কিছু ব্যাক্তির ক্ষেত্রে বয়স বেশি হলে, ভারি কাজ করলে বা হাত না থাকলে সে ক্ষেত্রে আঙুলের 

ছাপ মিলে না। যার জন্য ভোট দিতে ভোটারকে বিরম্বনায় পড়তে হয়।

সেজন্য প্রিজাইডিং অফিসার, ভেটারের নাম, পরিচয়, এনআইডি নম্বর মিলিয়ে দেখেন। এরপর পরিচয় শনাক্ত হলে এনআইডি নম্বর ব্যালট ইউনিটে দেওয়া হয়। এই তিনটা যদি মিলে যায় তবেই প্রিজাইডিং অফিস ভোটারের পরিবর্তে নিজের আঙুলের ছাপ দেন। তখন ব্যালট ইউনিট সচল হয়। তিনি ভোট দিতে পারেন না।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, বর্তমানে যেটা করা হয় এমন ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সুযোগটা করে দিতে পারেন। ৫শ ভোটার কোনো কেন্দ্রে থাকলে ৫ জন ভোটারকে তিনি সুযোগটা দিতে পারবে না। ৬ নম্বর ভোটার এলেও প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সেটা পারেন না। কারণ প্রিজাইডিং অফিসারের আইনগত এবং টেকনিক্যালি সে সুযোগ থাকে না।

  • সর্বশেষ