শিরোনাম
◈ তেল-গ্যাসে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা কতটা ◈ যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইরান, সামনে তিন শর্ত ◈ উত্তর ইসরায়েলে তীব্র হামলা: ইরান-হিজবুল্লাহর ১০০ রকেট নিক্ষেপের দাবি ◈ রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় র‌্যাবের ওপর হামলা ◈ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন কে? নানা আলোচনা ◈ স্বাভাবিক হয়নি ভোজ্যতেলের বাজার ◈ সিঙ্গাপুর থেকে জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ ◈ সহ আ‌য়োজক যুক্তরা‌স্ট্রে ইরান বিশ্বকাপ খেলবে না, জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী ◈ বিদ্যুৎ–জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যাংকের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৫, ০৩:০২ রাত
আপডেট : ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চার দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা জবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের, বাদ জুমা গণঅনশন

চার দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাত ১১টায় দাবিগুলো নিয়ে একটি বৈঠক করেন জবির প্রতিনিধি দল। এরপর রাত ১২টায় বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো ইতিবাচক বার্তা না পাওয়ার কথা জানান আন্দোলনকারীরা।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে এখনো সরকারি কোনো ‘গ্রিন সিগন্যাল’ আসেনি। তাই আন্দোলন আরও তীব্র করা হবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে আগামীকাল শুক্রবার (১৭ মে) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে “অনশন কর্মসূচি” পালনের ঘোষণা দেন তারা।

রাত পৌনে ১২টায় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রইছ উদদীন তিনটি নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কর্মসূচিগুলো হলো:

১. দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি চালু থাকবে।
২. শুক্রবার সকাল ১০টায় প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
৩. বাদ জুমা থেকে শুরু হবে গণঅনশন কর্মসূচি।

দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান এ আন্দোলন ঘিরে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি না মানা পর্যন্ত এই কর্মসূচি আরও বিস্তৃত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শিক্ষক পর্যন্ত সকলে আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, জবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে—শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, এবং একটি স্বাধীন ও কার্যকর গবেষণা পরিবেশ নিশ্চিত করা।

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, সরকার খুব দ্রুত উদ্যোগ নেবে এবং যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি স্থিতিশীল ও মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়