শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ১২:৫৩ দুপুর
আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ১২:৫৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আমন ধানের আশানুরূপ ফলন

আমন ধান

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সোনালী ধানে ভরে গেছে কৃষকের মাঠ। জেলায় আমন আবাদ ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এবার অর্জিত হবে। উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে আমন চাষীরা এখন ব্যস্ত সময় পাড় করছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকার পাশাপাশি নতুন নতুন জাতের ধান আবাদের ফলে জেলায় এবার আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, ফলন ভাল হলেও সার, বীজ, জ্বালানী তেলসহ প্রয়োজণীয় উপকরণের দাম বাড়ায় তাদের উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে। 
তবে কৃষি বিভাগ বলছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৩ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। এবার রোপা আমানের আবাদ ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা দুটিই অর্জিত হয়েছে। 

এ বছর কৃষি বিভাগ থেকে আমান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৫১ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ৫৪ হাজার ৬০৫ 
হেক্টর জমিতে। যা থেকে ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩৪৯ মেঃ টন ধান উৎপাদিত হবে। 

এবার উচ্চ ফলনশীল ব্রী ধান-৭৫, ব্রী ধান-৮৭, ব্রী ধান-৯৩, ব্রী ধান-৯৪, ব্রী ধান-৯৫ সহ নতুন জাতের ধানের আবাদ হওয়ায় সার্বিক উৎপাদন বেড়েছে। সরকারিভাবে ধান ক্রয় শুরু হলে কৃষকরা লাভবান হবে। 

কৃষক মজিদ মিয়া জানিয়েছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার তাদের বাম্পার ফলন হয়েছে। আধুনিক জাতের এসব ধানের আবাদ হওয়ায় এবার তারা কাঙ্খিত ফলন পেয়েছেন। কানি প্রতি তাদের খরচ হয়েছে ৬/৭ হাজার টাকা। প্রতি কানি জমিতে ধান পাওয়া যাবে ১০/১২ মণ। তবে সার, কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। 

আরেক কৃষক কাজল মিয়া জানান, জেলার সরখানে চলছে আমন ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতি। এ পর্যন্ত ৩০/৪০ ভাগ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। পুরো ফসল ঘরে তুলতে সময় লাগবে আরো প্রায় ২ সপ্তাহ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর- উপ পরিটালক সুশান্ত সাহা বলেন, নতুন জাতের সম্প্রসারণের পাশাপাশি আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী পরিমান ধান উৎপাদন হবে।

প্রতিনিধি/এইচএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়