শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৫:০৪ বিকাল
আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৪:৫২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গ্রেপ্তার এড়াতে নিয়মিত বাসা পাল্টাতো খলিলুর, ব্যবহার করতো না মোবাইল

খলিলুর রহমান

মাসুদ আলম : একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি খলিলুর রহমানকে সাভার থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০১৫ সালে মামলার তদন্তকাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি নিয়মিত বাসা পরিবর্তন ও একা বসবাস শুরু করেন। এমনকি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতেন না। মাঝে মাঝে গোপনে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেন। মামলার রায় ঘোষণার পর সাভারে আত্মগোপন করেন তিনি।

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় নেত্রকোণার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা থানা এলাকায় অবৈধভাবে আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণের চেষ্টা, ধর্ষণ, হত্যা ও গণহত্যায় জড়িত ছিলেন খলিল। ২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি খলিলুর রহমানসহ তার ভাই আজিজুর রহমান, একই এলাকার আশক আলী, জানিরগাঁও ইউনিয়নের শাহনেওয়াজ এবং একই এলাকার রমজান আলীর বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, অবৈধ আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টার পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, পাঁচ আসামির মধ্যে খলিলুর রহমান ছাড়া সবাইকে কারাগারে পাঠানো হয়। বিচারকাজ চলাকালীন সময় চার আসামি বিভিন্ন সময় মারা যান। গত ১৩ সেপ্টেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চারটিতে মৃত্যুদণ্ড ও একটিতে দশ বছরের সাজা ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ছেলে-মেয়েরা বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তার প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণের জন্য তারা নিয়মিত অর্থ প্রদান করতেন। খলিল ১৯৭১ সালে ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য ছিলেন। যুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। পরে চণ্ডীগড় ইউনিয়নের আল বদর বাহিনীর কমান্ডার হন।

  • সর্বশেষ