শিরোনাম
◈ সালাম মুর্শেদীর বাড়ির মাস্টার প্ল্যান দাখিল করতে রাজউককে নির্দেশ ◈ নাশকতার মামলায় ফখরুল-আব্বাসের স্থায়ী জামিন  ◈ তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প: ২৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা জাতিসংঘের  ◈ আদর্শ প্রকাশনীর মুচলেকা: স্টল বরাদ্দের নির্দেশ হাইকোর্টের ◈ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ  ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেলজিয়ামের রানির সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ কন্টেইনারে করে মালয়েশিয়ায়: দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে কিশোর রাতুলকে ◈ ড্র্রোনে ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলার ভয়াল চিত্র, মৃতের সংখ্যা বেড়েছে ৮ হাজার ◈ ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকায় ৩ লাখ মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা ◈ মার্চের মধ্যে সিসি ক্যামেরা বসানোর  কাজ শেষ করার দাবি বিজিএমইএ’র

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০৮:০৮ রাত
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০৮:০৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন 

সাজাপ্রাপ্ত আসামি

ফয়সাল চৌধুরী, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অটোরিক্সা ছিনতাইয়ের জন্য চালক সুজন শিকদার (৩৪) কে  হত্যার দায়ে রফিকুল ইসলাম আসাদ (৩৪) নামের  এক আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং শরিফুল ইসলাম (৩১), ও রাজু মোল্লা (২৬) কে  যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা কার হয়।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) বেলা বারোটার সময় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-০১ এর বিচারক মোঃ তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। 

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম আসাদ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর দত্তপাড়া গ্রামে ইউনুচ আলীর ছেলে। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু মোল্লা ঝিনাইদহ জেলার বড় খরিখালি গ্রামের গনি মোল্লার ছেলে এবং শরিফুল ইসলাম ঝিনাইদহ জেলার কয়াগাছি মুক্তাঙ্গন আবাসন প্রকল্প এলাকার আমজাদ দফাদারের ছেলে।

রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু এবং শরিফুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম আসাদ পলাতাক আছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পরোয়ানা জারী করেছে আদালত।

কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দি এসব বিষয় নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জগতি ০২নং কলনির বাসিন্দা অটোরিক্সা চালক সুজন দুপুর দুইটার সময় তার ভাড়ায় চালিত অটোরিক্সা নিয়ে বের হওয়া পর নিখোজ হন। অনেক খোজাখুজির পর থাকে না পেয়ে তার ভাই কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করে। পরে ২৯ মার্চ  সকালে ভেড়ামারা থানা পুলিশ ভেড়ামারার সাতবাড়ীয়া এলাকার একটি লিচু বাগান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে সুজনের ভাই আলমগীর শিকদার ঘটনাস্থলে গিয়ে সেই মরদেহটি সুজনের বলে শনাক্ত করে। এই ঘটনায় ওইদিনই নিহত সুজনের ভাই আলমগীর শিকদার বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সেই মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআডি পুলিশের পরিদর্শক মহানন্দ সিং ওই তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চুড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলায় দীর্ঘ  তদন্ত  শেষে ১০ জনের স্বাক্ষ্য প্রমান শেষে মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, মুলত অটোরিক্সা ছিনতাইয়ের জন্য পরিকল্পিত ভাবে সুজন শিকদারের অটোরিক্সা ভাড়া করে ওই সংবদ্ধ চক্র। কিন্তু ছিনতাইকারীদের চিনে ফেলায় পরে তাকে কৌশলে ভেড়ামারার ওই নির্জন এলাকায় নিয়ে নিয়ে তাকে হত্যা করে তার অটোরিক্সা নিয়ে পালিয়ে যায়।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়