তপু সরকার হারুন, শেরপুরঃ ২২ ফেব্রোয়ারী দুপুরে নকলা বাজারের কৃষি ব্যাংকের সামনে থেকে ‘মেসার্স নুসরাত পরিবহন’ নামক একটি ট্রাক তল্লাশি করে এই সার উদ্ধার করা হয়। ট্রাকটি আশুগঞ্জ সার কারখানা থেকে বিএডিসি ও ৯(বিসিআইসি)র স্টিকার ব্যবহার করে নকলায় আসে। ট্রাকে
থাকা ৯৮০ বস্তা ইউরিয়া সারের স্বপক্ষে চালক বা সংশ্লিষ্ট কেউ বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নকলা বাজারের সার ব্যবসায়ী ৫২০ বস্তা ইউরিয়া সার মেসার্স শহিদুল এন্টারপ্রাইজ নাম ও ৪৬০ বস্তা ইউরিয়া, মেসার্স সৃজন এন্টার প্রাইজ এর নামে অবৈধভাবে এই সারগুলো মজুত করে কৃষকদের কাছে চড়া মূল্যে বিক্রির পায়তারা করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রাকটি প্রথমে একটি স্থানে লোড- আনলোড করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে পুর্ন্ রায় অন্য জায়গায় সারের বস্তাগুলো সরানোর সময় জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে স্থানীয়
গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত হলে চালক ও সারের মালিক কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। সারগুলো আশুগঞ্জ থেকে অবৈধ পথে আনা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ডিলার বা সার ব্যবসায়ীরা সরকারি নীতিমালা তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে সার মজুত ও চড়া মূল্যে বিক্রির অভিযোগে ৯৮০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ একটি ট্রাক জব্দ করা হলেও। ২২ ফেব্রোয়ারী দুপুরে নকলা বাজারের কৃষি ব্যাংকের সামনে থেকে ‘মেসার্স নুসরাত পরিবহন’ নামক একটি ট্রাক তল্লাশি করে এই সার উদ্ধার করা হয়।
এদিকে অবৈধ ভাবে এ সার আমদানির করা নিয়ে স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একটি বক্তব্য দেয়া কে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে স্থানীয় ডিলার কাছে তোপের মুখে বেশ নাজেহাল হন এবং সেই ভিডিওটি সোস্যাল মিডিয়াই বেশ সমালোচনা হলে, সরকারী কর্মকর্তাদের মধ্য একটি আতঙ্ক বিরাজ করে ও জনমনে প্রশ্ন উঠে।
২৪ ফেব্রোয়ারী দুপুরে নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে এ সারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বেশ আতঙ্ক কন্ঠে জানান, উপরে থেকে তদন্তে এসেছে, তাদের সাথে কথা বলেন।
তদন্তে নিয়েজিত বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন
রাসায়নিক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের দায়িত্বে নিয়োজিত। জেনারেল
ম্যানেজার মোঃ সাইফুল আলম এর সাথে বিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন কর্তৃ্পক্ষ বলছে আমরা গতকাল থেকে তদন্ত শুরু করেছি৷ তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে৷ স্থানীয় প্রশাসন কে তদন্ত রিপোর্ট্ দিতে হবে। আর সার গুলি যেহেতু সরকারী-সেহতেু সরকারী গুদামে রাখা হয়েছে। সার গুলি বিষয়ে বৈধ না অবৈধ জানতে চাইলে জেনারেল ম্যানেজার মোঃ সাইফুল আলম বলেন, নিশ্চয়ই কোন না, কোন কিছু হয়েছে, আপনারা আমার চেয়ে ভালো জানেন অনেকটাই উৎঘাটন হয়েছে, গোডাউনে কার কতটুকু রয়েছে, কি হয়েছে জানতে পারবেন।