শিরোনাম
◈ খালেদা জিয়ার জন্য ‌শেখ হাসিনার প্রার্থনা, স্বাস্থ্য সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ: আইএএনএসের রিপোর্ট ◈ হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রতি ভারত কি অবস্থান বদলাচ্ছে? ◈ এনসিপি ১২৫ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল, কোন আসনে কাকে মনোনয়ন দিলো দেখুন তালিকা ◈ অজ্ঞাতনামা লাশ, কারা ও নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যু আর মব এখন মানবাধিকারের তিন সংকট ◈ হাসিনার উদারপন্থী ভূমিকায় বিএনপি ◈ চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লিগ: কুন্দের জোড়া গো‌লে  বা‌র্সেলোনার জয় ◈ দীর্ঘ সময় ধ‌রে আইপিএল দেখ‌তে একঘেয়ে লা‌গে, পাকিস্তান লিগকে ‘সেরা’ ঘোষণা ওয়া‌সিম আকরা‌মের ◈ তৃতীয়বা‌রের ম‌তো এশিয়া কাপ জেতা উ‌চিত বাংলাদেশের : কোচ নাভিদ নওয়াজ ◈ মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদের পদত্যাগ আজ—অন্তর্বর্তী সরকারে বড় পরিবর্তন! ◈ হজযাত্রীদের প্লেনের টিকিট থেকে আবগারি শুল্ক প্রত্যাহার করল এনবিআর

প্রকাশিত : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০১:০৫ রাত
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্যয় বাড়লেও চাঁদপুর আধুনিক নৌবন্দরের কাজ বন্ধ এক বছরেরও বেশি সময়

মিজান লিটন, চাঁদপুর: চাঁদপুর আধুনিক নৌবন্দরের নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। প্রকল্প ব্যয় ২৬ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৯৩ কোটি টাকায় উন্নীত করা হলেও এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ এগোয়নি। তমা কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে রেখেছে। ফলে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ হয়েছে মাত্র ২৫ শতাংশ।

অবকাঠামো না থাকায় প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগের ঠিকাদারকে বাদ দিয়ে নতুন করে প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই বছর মেয়াদি প্রকল্পের কাজ এক বছর তিন মাস ধরে বন্ধ। ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর একনেকে অনুমোদন পায় ‘চাঁদপুর আধুনিক নৌ-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প’। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রথম পর্যায়ে ব্যয় ধরা হয় ৬৭ কোটি টাকা, পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে বিশ্বব্যাংক ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের পরামর্শে বিকল্প পদ্ধতিতে পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়। কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে কাজ আর এগোয়নি। গত বছরের জুন থেকে প্রায় ১৫ মাস ধরে প্রকল্প পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

প্রতিদিন ঢাকা-চাঁদপুরসহ বিভিন্ন রুটে অর্ধশতাধিক লঞ্চ চলাচল করে এই বন্দর দিয়ে। দেশের অন্যতম নৌরুট হলেও নেই যাত্রীছাউনি, বসার জায়গা কিংবা টয়লেট। এতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষায় যাত্রীদের ভিজতে হচ্ছে।

একজন যাত্রী বলেন, “বছরের পর বছর ধরে দেখছি ঘাটে কাজ চলছে। অথচ কোনো উন্নতি নেই। বসার জায়গা, ছাউনি বা টয়লেট কিছুই নেই। বৃষ্টির সময় সবচেয়ে কষ্ট হয়।”

লঞ্চ মালিক প্রতিনিধি আলী আজগর সরকার জানান, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী বন্দর চাঁদপুরের অবকাঠামো উন্নয়ন হয়নি। “ঠিকাদার অর্থ না পাওয়ায় কাজ বন্ধ রেখেছে। দ্রুত কাজ শুরু করতে হবে।”

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের কর্মী মোশারফ হোসেন বলেন, “আমি এক মাসের বেশি সময় ধরে এখানে আছি। তখন থেকেই কাজ বন্ধ। কবে শুরু হবে, জানি না।”

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চাঁদপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক (বন্দর) বসির আলী খান জানান, “আগের ঠিকাদারকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দিলে বরাদ্দসহ দ্রুত কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আছে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়