শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২২, ০৯:০১ রাত
আপডেট : ০৫ জুলাই, ২০২২, ০৯:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জমে উঠেছে পশুর হাট, বেশি দাম চাচ্ছে বিক্রেতারা

পশুর হাট

সুজিৎ নন্দী: দুপুরের পরই কোরবানির পশু দিয়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় হাট। হাটে বড়, মাঝারি ও ছোট সাইজের প্রচুর গরু উঠলেও দাম চড়া থাকায় অনেক ক্রেতা ফিরে এসেছেন। ঢাকাসহ আশপাশ থেকে ক্রেতারা পছন্দমতো গরু কিনতে আসছে। কিন্তু বেশিল ভাগ ক্রেতাই না কিনে ফিরে যাচ্ছে। 

ভাটারা (সাইদ নগর), এবং তেজগাঁও পলিটেকনিক্যাল মাঠ, লালবাগ রহমতগঞ্জ ক্লাব সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, শ্যামপুর কদমতলী ট্রাকস্ট্যান্ড সংলগ্ন খালি জায়গা, উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর বৃন্দাবন থেকে উত্তর দিকে বিজিএমইএ এর খালি জায়গা ঘুরে এরকম চিত্র দেখা গেছে।

পোস্তগোলা শ্মশানঘাটসহ আশপাশের খালি জায়গা করিম ব্যাপারি ১২টি ষাঁড়ে বিক্রির জন্য এসেছে। এর  মধ্যে পাঁচটির বিক্রির দাম নির্ধারণ করেছেন, এক লাখ ৬০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ ৭০ হাজার। অপর সাতটির দাম ধরেছেন, এক লাখ ৩০ হাজার থেকে এক লাখ ৪০ হাজার। যারা তার কাছে গরু কিনবেন, তিনি নিজ খরচে ক্রেতার বাড়িতে পৌঁছে দিবেন। 

মঙ্গলবার বিকালে হাটে গিয়ে দেখা গেছে, প্রচুর কোরবানির পশুর আমদানি হয়েছে। মোটামুটি কেনাবেচা হয়েছে বলে, ক্রেতা-বিক্রেতারা জানিয়েছেন। তবে হাটে দেশীয় মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি ছিল। তাই এ জাতের গরুর দাম তুলনামূলক বেশি ছিল। হাটে সবচেয়ে বড় গরুর দাম হাঁকা হয়েছিল ১২ লাখ টাকা। 

শ্যামপুরে অস্ট্রেলিয়ান জাতের একটি বড় ষাড়ের দাম হেঁকেছেন, সাড়ে চার লাখ টাকা। ক্রেতারা দাম করেছেন, তিন লাখ ১০ হাজার টাকা। 

আফতাবনগর হাটের ইজারাদার মাহবুবুর রহমান শিমুল বলেন, এ বছর গরুর দাম বেশি হওয়ার অভিযোগ করছেন ক্রেতারা। এ জন্য এখন পর্যন্ত বিক্রির পরিমাণ অন্যান্য বছরের তুলনায় কম। তবে ক্রেতা যারা আসছে তারা কিনছে। 
উত্তরা হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের মাঝে আর তিনদিন বাকি থাকায় এখন যেসব ক্রেতা আসছেন, তারা অধিকাংশই পশু কিনে ঘরে ফিরছেন। এখানে অন্যান্য হাটের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। 

উত্তর সিটির যে ৮ স্থানে বসবে অস্থায়ী হাট- কাওলা শিয়ালডাঙ্গা, উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর বৃন্দাবন থেকে উত্তর দিকে বিজিএমইএ এর খালি জায়গা, বাড্ডা ইস্টার্ন হাউজিং, আফতাবনগর ব্লক ই থেকে এইচ পর্যন্ত এলাকা, মোহাম্মদপুর বছিলার ৪০ ফুট রাস্তা সংলগ্ন খালি জায়গা, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের ৩০০ ফুট সড়ক সংলগ্ন খালি জায়গা, মিরপুর সেকশন ৬ এর খালি জায়গা এবং ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচপুরা বেপারিপাড়ার রহমান নগর আবাসিক প্রকল্প এলাকায় অস্থায়ী এই ৮টি হাট বসবে।

দক্ষিণ সিটির যে ১০ স্থানে বসবে খিলগাঁও রেলগেট বাজারের মৈত্রী ক্লাব সংঘ মাঠ, হাজারীবাগ ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি কলেজ মাঠ, পোস্তগোলা শ্মশানঘাটসহ আশপাশের খালি জায়গা, মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাব সংলগ্ন খালি জায়গাসহ কমলাপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকা, যাত্রাবাড়ি দনিয়া কলেজ সংলগ্ন আশপাশের এলাকা, ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, লালবাগ রহমতগঞ্জ ক্লাব সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, শ্যামপুর কদমতলী ট্রাকস্ট্যান্ড সংলগ্ন খালি জায়গা এবং আমুলিয়া মডেল টাউনের আশপাশের খালি জায়গায় এবার ডিএসসিসির নির্ধারিত অস্থায়ী হাটগুলো বসবে।

এই হাটগুলোর মধ্যে সবগুলোর ইজারা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে। যারা  হাটগুলো ইজারা পেয়েছেন তারা হাটে বাঁশ, সামিয়ানা, হাসিল প্যান্ডেল, গরু রাখার স্থান নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। বাকি কয়েকদিনের মধ্যেই হাটের সব ধরনের প্রস্তুতির কাজ তারা শেষ করে ফেলবেন বলে জানিয়েছেন।

এছাড়া মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মোড় খেলার মাঠ এবং তেজগাঁও পলিটেকনিক্যাল মাঠসহ আশপাশের খালি জায়গায় পৃথক দুটি হাট বসানোর জন্য আবেদন জানিয়েছেন কাউন্সিলররা। মঙ্গলবার থেকে এখানে এখানে পশুর হাট বসেছে।

  • সর্বশেষ