শিরোনাম

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০২২, ১১:২৮ রাত
আপডেট : ০১ জুলাই, ২০২২, ০৫:৫৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বুয়েটে চান্স পেলেন আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফাইয়াজ

আবরার ফাহাদ ও তার ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ

আখিরুজ্জামান সোহান: আবরার ফাহাদের কথা মনে আছে?  ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) হলে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় আবরার ফাহাদকে। এবার তারই ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ বুয়েটে চান্স পেয়েছেন। এর আগে ভাইয়ের মৃত্যুর পর নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ঢাকা কলেজ ছাড়েন আবরার ফাইয়াজ।

বৃহস্পতিবার (৩০ ‍জুন) বুয়েটের ২০২১-২২ ব্যাচের স্নাতক ভর্তির রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছে। আবরার ফাইয়াজ ৪৫০তম হয়ে যন্ত্রকৌশল বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। বুয়েটে ভার্তির সুযোগ পেয়ে খুশি আবরার ফাইয়াজ ও তার পরিবার। তবে ফাইয়াজ ভর্তি হবেন কিনা বিষয়টি নিয়ে এখনো খোলাশা করেননি তিনি।

প্রথম সন্তানের নির্মম পরিণতির পর স্বাভাবিকভাবেই আবরার ফাহাদের মা এখনো বুঝে উঠতে পারছেন না কী সিদ্ধান্ত নেবেন৷ আবরার ফাহাদের স্মৃতি মনে পড়ে হয়তো কেঁপে উঠছে মায়ের বুক।

বিষয়টি নিয়ে আবরার ফাইয়াজ বলেন, ‘ইচ্ছা আছে ভর্তি হওয়ার। তারপরও পরিবারের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।’

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হল থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আবরারের বাবা চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে বুয়েটের ২৫ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। তা আমলে নিয়ে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এই মামলায় রায় দেন বিচারিক আদালত। রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, মেহেদী হাসান রবিন, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, মো. মুজাহিদুর রহমান, খন্দকার তাবাককারুল ইসলাম তানভীর, হোসাইন মোহাম্মদ তোহা, মো. শামীম বিল্লাহ, এ এস এম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম, মুনতাসির আল জেমি, মো. শামসুল আরেফিন রাফাত, মো. মিজানুর রহমান, এস এম মাহমুদ সেতু, মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মুজতবা রাফিদ। তাদের মধ্যে মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মুজতবা রাফিদ পলাতক রয়েছেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় মুহতাসিম ফুয়াদ হোসেন, মো. আকাশ হোসেন, মুয়াজ আবু হুরায়রা, অমিত সাহা ও ইশতিয়াক আহমেদ মুন্নার।

  • সর্বশেষ