শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২২, ০১:৩৯ রাত
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০২২, ০১:৩৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সেন্টমার্টিনে ১৩৩টি ডিম দিল কাছিম

নিউজ ডেস্ক: এক সময় কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিনে ডিম পাড়ার জন্য গভীর সমুদ্র থেকে ছুটে আসত শত শত মা-কচ্ছপ বা সামুদ্রিক কাছিম। নির্জন সৈকতে ডিম দিয়ে সেই কাছিম আবার ফিরে যেত সাগরে। কিন্তু বহুদিন ধরে স্থানীয়রা ডিম পাড়ার দৃশ্য দেখননি। গত শনিবার রাতে হঠাৎ একটি কাছিম সৈকতের পাড়ে এসে ডিম ছাড়তে থাকে। একে একে ওই কাছিমটি ১৩৩টি ডিম ছেড়ে সাগরে ফিরে যায়। এ দৃশ্য স্থানীয় একজন ভিডিওতে ধারণ করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ মামুন বলেন, এখন কাছিমের ডিম ছাড়ার মৌসুম চলছে। কিন্তু পর্যটকদের অবাধ যাতায়াত, সৈকতে লাইটিং, রাতে উচ্চ মাত্রায় শব্দ ও কুকুরের উৎপাতে সেন্টমার্টিন সৈকত উপকূলে মা কাছিম ডিম দিতে আসছে না। অথচ অন্যান্য বছর প্রতিরাতে একসাথে ৩০-৩৫টি কাছিম ডিম দিতে আসত। এ বছর কোনো কাছিম ডিম দিতে আসেনি। তবে শনিবার রাতে একটি কাছিম এসে ১৩৩টি ডিম দিয়েছে।

মৎস্য ও পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত পাঁচ বছরে সেন্টমার্টিন দ্বীপসহ প্রায় ১২০ কিলোমিটারের কক্সবাজার সৈকতে ডিম পাড়তে এসে মারা গেছে অন্তত চার হাজার মা-কচ্ছপ। কাছিমের ডিম খেয়ে ফেলেছে বেওয়ারিশ কুকুর। দ্বীপে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা প্রায় ছয় হাজার।

ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, দ্বীপের সমুদ্র অঞ্চলের প্রতিবেশগত সীমানার মধ্যে পর্যটন এলাকা, জাহাজ চলাচলের সীমানা, স্থানীয় অধিবাসীদের ব্যবহার ও মাছ ধরার অঞ্চলগুলো সুনির্দিষ্ট করে বিধিনিষেধ কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে দৈনিক কী পরিমাণ মানুষকে জায়গা দিতে প্রতিবেশগতভাবে সক্ষম তা নির্ধারণ করে প্রতিবেশগত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা দরকার।

  • সর্বশেষ