শিরোনাম

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০২২, ১১:৫১ দুপুর
আপডেট : ২২ জানুয়ারী, ২০২২, ১১:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিমু হয়ে উঠেছেন শিল্পী সমিতির নির্বাচনের মধ্যমণি

ইমরুল শাহেদ: প্রার্থীদের দীর্ঘদিনের অর্জন, যা নির্বাচনি প্রচারণায় স্থান পাচ্ছিল, তাকে ছাড়িয়ে গেছেন নিহত রাইমা ইসলাম শিমু। তিনি যে সকল স্তরের শিল্পীদের এতো প্রিয় ছিলেন, তা জীবিত থাকাকালীন উপলব্ধি করে যেতে পারেননি।

তাকে নিয়ে কারা কারা মায়া কান্নায় বিভোর হয়েছেন, তাদেরও তিনি চিনে যেতে পারেননি। নিহত হওয়ার দুইদিন পর একটি প্যানেল শিমুর একটি ব্যানার টাঙ্গিয়ে স্মরণ সভা করে। সেখানে শিমুকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন তার ভাই শহিদুল ইসলামও। আরেকটি প্যানেল নিয়ম মাফিক এফডিসির কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে উদ্বোধনের দিনই কোরান খতম ও দোয়া মাহফিল করেন।

মৃত্যুর আগে শিমুর সীমিত পরিচয় এখন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে এফডিসি চত্বর ও শিল্পীদের মধ্যে। শিল্পী সমিতির সামনেও তার একটি ব্যানার শোভা পাচ্ছে। এর ঠিক পেছনেই ভোটাধিকার হারিয়ে সহযোগী সদস্য হয়ে যাওয়া ১৮৪ জনকে নিয়ে হাই কোর্টের একটি আদেশ আদালতের প্রতিনিধি জারিকারক টাঙ্গিয়ে রেখে গেছেন। ব্যানারে দেওয়া শিমুর হাস্যোজ্জ্বল মুখটি যেন সেটার প্রতি তাকিয়ে কটাক্ষ করছেন। তিনি ছিলেন ১৮৪ জনের একজন। এই নিয়েই সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের সঙ্গে শিমুর বিরোধ ছিল। তিনি ভোটাধিকার হারানোর বিরুদ্ধে সহকর্মীদের সঙ্গে এক সারিতে দাঁড়িয়ে আন্দোলন করেছেন।

তার একজন সহকর্মী বলেন, ‘একটা সময়ে আমরা হয়তো ভোটাধিকার ফিরে পাব। কিন্তু শিমু চলে গেল সে সাফল্য না দেখেই। ‘শিমু’র মতো আর যারা বেঁচে আছেন, তাদের জীবনে যেন এমন অবাঞ্ছিত ঘটনা না ঘটে।’ সহযোগী সদস্য হয়ে যাওয়া এই ১৮৪ জনের মধ্যে ২০ জন মারা গেছেন। আরো কয়েকজন চলে গেছেন বিদেশে। অপর একজন সহযোগী সদস্য কারো নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘আমরা শিল্পী সমিতির ভোটের রাজনীতির শিকার। সমিতির একজন নেতা, যারা তাকে ভোট দেবেন না বলে মনে করেছেন, সিনিয়রদের দোহাই দিয়ে তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছেন।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়