শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০২২, ১১:৪৪ দুপুর
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০২২, ১১:৪৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পরিবেশ দূষণের শিকার বাঘার চণ্ডিপুর এলাকাবাসী

আতাহার আলী: [২] রাজশাহীর বাঘা উপজেলার ১নং বাজুবাঘা ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামের অধিবাসীরা চরম পরিবেশ দূষণের কবলে পড়েছেন। বছরখানেক আগে চণ্ডিপুর গ্রামে (চণ্ডিপুর বাজার হতে প্রায় ১৫০ গজ পশ্চিমে) ‘বাবা ও মায়ের দোয়া বস্তা বিতান’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্লাস্টিকের ক্যারেট ভাঙ্গার মেশিন স্থাপন করে। এই মেশিনের বিকট শব্দ, কালো ধোঁয়া এবং ধুলা-বালির সৃষ্টি হয়।

[৩] দিন ও রাতে অধিকাংশ সময়ই এ মেশিনের শব্দ দূষণে এলাকার মানুষ রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারেন না। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা অব্যাহত থাকায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

[৪] নিরুপায় হয়ে এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মো. বজলুর রহমান ও মো. রওশন আলম বাবু রাজশাহী জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদফতরের উপ-পরিচালক, উপজেলা চেয়ারম্যান, পরিবেশ আইনবিদ সমিতিসহ বিভিন্ন দফতরে পৃথকভাবে অভিযোগ করেছেন তারা।

[৫] পৃথক অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের শুরুর দিকে চণ্ডিপুর গ্রামে (চণ্ডিপুর বাজার হতে প্রায় ১৫০ গজ পশ্চিমে) ‘বাবা ও মায়ের দোয়া বস্তা বিতান’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্লাস্টিকের ক্যারেট ভাঙ্গার মেশিন বসায়। এই মেশিনের বিকট শব্দে কালো ধোঁয়া বের হয় এবং ধুলা-বালির সৃষ্টি হয়। দিন ও রাতে অধিকাংশ সময়ই এই মেশিন চালানোর ফলে এলাকার মানুষ রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারেন না। ছেলেমেয়েদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটে। বয়স্করা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগছেন। গ্রামের স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে।

[৬] এতে আরো বলা হয়, মেশিনটি যে জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে তার ৫০০ মিটারের মধ্যে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, একটি মসজিদ ও বাজার রয়েছে। তাই পরিবেশ দূষণের হাত থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষায় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ ও ওই মেশিনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির মালিক হলেন মোয়াজ্জেম হোসেন।

[৭] এদিকে, প্লাস্টিকের ক্যারেট ভাঙ্গার মেশিন স্থাপন করা হলেও এটির জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদন ধরে এই মেশিনের মাধ্যমে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

[৮] এ ব্যাপারে জানতে মোবাইলে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোয়াজ্জেম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

  • সর্বশেষ