শিরোনাম
◈ টেক্সাসে বন্দুকধারীর হামলায় শিক্ষার্থীসহ নিহত ১৫ ◈ সারাদেশে ছাত্রদলের ২দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা ◈ আবারও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদ্রোস ◈ ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল ◈ ঢাবিতে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের মশাল মিছিল ◈ স্মারক স্বর্ণ মুদ্রার দাম ৪ হাজার টাকা বাড়লো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ◈ হজ ফ্লাইট ৫ জুন শুরু ◈ সর্বজনীন পদ্মা সেতুতে ওঠার আগে অপপ্রচারকারীদের ক্ষমা চাওয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ সিরিয়ায় সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন এরদোগান ◈ হাতিরঝিলে ওয়াটার ট্যাক্সি ও বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০২২, ০৩:০৬ রাত
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০২২, ০৩:০৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাবার খুনিকে যেভাবে ধরিয়ে দিল ১০ বছরের শিশু

নিউজ ডেস্ক : এক ১০ বছরের শিশু তার প্রয়াত বাবার প্রার্থনা অনুষ্ঠানে বাবার হত্যার রহস্য উদঘাটনে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছে। যদিও প্রাথমিক অবস্থায় ওই শিশুর বাবার স্বাভাবিক কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়েছিল।

২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরু শহরের উপকণ্ঠে ডোডাবল্লাপুরের কারেনাহাল্লিতে নিজ বাড়িতে ৪০ বছর বয়সী রাঘবেন্দ্রকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। রাত ২টার দিকে তার স্ত্রী শৈলজা (৩০) দেবর শেখরকে বাড়িতে ডেকে জানান মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়েছেন রাঘবেন্দ্র। দু’জনে মিলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

দুই সপ্তাহ পরে মৃত ব্যক্তির জন্য প্রার্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন পরিবারের সদস্যরা। সেখানে এক মেয়ে ও ছেলে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন শৈলজা। যখন ১০ বছর বয়সী ছেলে তার দাদা নানজুন্দাপ্পার সঙ্গে কথা বলছিল, তখন সে জানায়- তার বাবার মৃত্যুর দিনে বাড়িতে অন্য একজন উপস্থিত ছিলেন। এরপর নানজুন্দাপ্পা তার ছোট ছেলে শেখরকে বিষয়টি জানালে তিনি শিশুটিকে জিজ্ঞাসা করেন কী ঘটেছিল?

শিশুটি বলে, সে শব্দের কারণে মাঝরাতে জেগে উঠেছিল। তখন সে দেখে তার বাবাকে তার মা নিচে ফেলে চেপে ধরে রেখেছেন, তখন অন্য একজন তার বাবার মাথায় শক্ত কিছু দিয়ে আঘাত করছিল। আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম কেন তারা আমার বাবাকে মারছিল?

ছেলেটি বলে, অন্য লোকটি আমাকে আঘাত করেন এবং আমাকে বলে আমার মুখ বন্ধ রাখতে এবং কাউকে কিছু না বলতে, অন্যথায় তিনি আমাকে মেরে ফেলবেন। আমি ভয় পেয়ে বিছানায় ফিরে গিয়েছিলাম।

শেখর তার ভাইয়ের পাশের একটি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখতে পান, গভীর রাতে একজন লোক ওই বাড়িতে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ শৈলজা, তার মা লক্ষ্মীদেবমা (৫০) এবং হনুমন্ত (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

তদন্তে বের হয়ে এসেছে, শৈলজা যে পোশাক কারখানায় কাজ করেন, হনুমন্ত সেখানকার সহকর্মী। পুলিশ জানায়, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। যেহেতু রাঘবেন্দ্র শৈলজাকে তাদের সম্পর্ক নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন করেছেন, তারা তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

সূত্র: নিউজ এইটিন

  • সর্বশেষ