শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৪:০৬ সকাল
আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৪:০৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মনজুরুল হক: মার্কসীয় সংস্কৃতির চর্চা ভীষণ দরকারী

মনজুরুল হক: সর্বহারার মুক্তির আন্দোলন-সংগ্রামে মার্কসীয় শিষ্টাচার কিংবা মার্কসীয় সংস্কৃতির চর্চা ভীষণ দরকারী। মার্কসবাদে ইসলামী ওয়াজি/মাওলানা/হুজুরদের মতো পৃষ্ঠাজুড়ে বিশেষণের স্থান নেই। তার পরও বাংলাদেশের বাম এবং কমিউনিস্ট মহলে নেতার নামের আগে লম্বা-চওড়া বিশেষণ বসানোর বিচ্যুতি চলছে। যেমন: একজন নেতার নামের আগে লেখা হয়েছেÑ ‘ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী কমিউনিস্ট বিপ্লবী’! এখানেই শেষ নয়। এরপর এক প্রস্থ লেখা হয়েছে তাঁর পেশাগত পদবি।

যারা লিখেছেন তাদের অনেকেই অধ্যাপক, ডাক্তার, সাহিত্যিক, পোড় খাওয়া বিপ্লবী, বামপন্থী, কমিউনিস্টও। অথচ তারা মনে রাখেননি একজন কমিউনিস্ট বাইডিফল্ট ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী। সেটি লিখে বোঝালে আদেখলে মনে হয়। আবার কমিউনিস্ট লিখলে লেজ হিসাবে ‘বিপ্লবী’ লাগানোর দরকার নেই, কারণ কমিউনিস্ট বাইডিফল্ট বিপ্লবী।

আমাদের দেশে সমস্যা এখানেই। এরা মনে করেন শুধু কমিউনিস্ট লিখলে যথাযথ বিশেষণযোগে সম্মান জানানো হলো না! তাই কমিউনিস্ট লেখার সময় আগে-পিছে তকমা লাগাতে হয়। যদিও এরা নিশ্চই জানেন, একজন কমিউনিস্ট অবশ্যই সাম্রাজ্যবাদ, ফ্যাসিবাদ, সামন্তবাদ, পুঁজিবাদ, গোষ্ঠিতন্ত্র, আঞ্চলিকতাবাদ, ধর্মীয়

মৌলবাদবিরোধী এবং অতি অবশ্যই বিপ্লবী। তারপরও তারা নিজেদের গুরুত্ব, ভারত্ব এবং মহাত্ম বোঝাতে অনাবশ্যক বিশেষণ এবং পদবি যোগ করে গুরুবাদের চর্চা করেন। যা শেষ পর্যন্ত সর্বহারা শ্রেণির মুক্তি আন্দোলন-সংগ্রামে কোনো কাজে লাগে না। লেখক ও ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়