শিরোনাম
◈ পর্যাপ্ত মজুতের পরও সার নিয়ে বিপাকে কৃষকরা ◈ সাজেকে ১৪ দিনের অবরোধে চরম খাদ্যসংকট, পর্যটন ও পরিবহন খাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা: সমাধান করবে কে? ◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ? ◈ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:৫৮ দুপুর
আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:৫৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আত্মসাতের সাড়ে ১৮ লাখ টাকা ফেরত

মঈন উদ্দীন: [২] রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অনুকূলে ব্যাংকে ১৮ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ টাকা জমা পড়েছে। মঙ্গলবার ব্যাংকের দেয়া হিসাব বিবরণীতে এ বিষয়টি ধরা পড়ে। ব্যাংকের জমা তথ্য অনুযায়ী একজন ঠিকাদারের পক্ষ থেকে টাকাগুলো জমা দেওয়া হয়েছে।

[৩] ঠিকাদার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলার আসামি। মামলার প্রধান আসামি হচ্ছেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। তবে ঠিকাদার ও চেয়ারম্যান দু’জন এই টাকা জমা দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন।

[৪] রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের রাস্তার কাজ না করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক মামলাটি করেছিল। এ মামলার মোট আসামি ১৪ জন। তাঁদের বিরুদ্ধে ১৮ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছিল। সেই পরিমাণ টাকাই ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে। এই কাজের ঠিকাদার ছিলেন শওকত আলী নামের এক ব্যক্তি। ব্যাংকের জমা রসিদে তাঁর নামই লেখা হয়েছে।

[৫] সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের গ্রেটার রোড শাখায় এই টাকা জমা দেওয়া হয়। ব্যাংকের ওই শাখার ব্যবস্থাপক তারিক হাসান বোর্ডের অনুকূলে ওই পরিমাণ টাকা জমা পড়ার কথা নিশ্চিত করে তিনি বলেন, জমাকারী হিসেবে শওকত আলীর নাম লেখা আছে। তাঁরা এই টাকা জমা হওয়ার পর শিক্ষা বোর্ডকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। বুধবার বোর্ডের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানানো হবে বলেও জানান।

[৬] রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, আমাকে কোনো চিঠি দিয়ে জানানো হয়নি। তবে ব্যাংক বিবরণী দেওয়া হয়েছে। তাতে ওই টাকার পরিমাণের নিচ দিয়ে হলুদ দাগ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে করে তিনি জানতে পেরেছেন যে ওই পরিমাণ টাকা বোর্ডের অনুকূলে ব্যাংকে জমা পড়েছে।

[৭] ঠিকাদার শওকত আলী বলেন, তিনি টাকা জমা দেননি। তাঁর নামে অন্য কেউ দিতে পারে। তিনি বলেন, তিনি শতভাগ কাজ করেছেন। তারপরও তাঁর নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে।

[৮] আবুল কালাম আজাদ ২০১৪ সালের ১০ জুলাই শিক্ষা বোর্ডের সচিব হন। এরপর ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে চেয়ারম্যান করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ২০১৯ সালের জুনে তাঁকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধান শেষে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় একটি মামলা করে। মামলায় সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদসহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়। তাঁদের মধ্যে চারজন ঠিকাদার এবং অন্যরা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

[৯] সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি তিনি সপ্তাহ ধরে ঢাকায় বোনের বাসায় আছি। আমি অসুস্থ। কে টাকা জমা দিয়েছে, আমি বলতে পারব না। মামলাও আমি এখন আর ডিল করি না।

[১০] মামলার আরেক আসামি শিক্ষা বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক নেসার উদ্দীন আহমেদ বলেন, তিনি টাকা জমা দেওয়ার ব্যাপারে কিছু জানেন না। তিনি দাবি করেন, বোর্ডের রাস্তার কাজগুলো শতভাগ হয়েছে। ষড়যন্ত্র করে তাঁদের শুধু শুধু মামলার আসামি করা হয়েছে। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ