প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সর্ষের ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে ভূঞাপুর উপজেলার ক্ষেত খামার, কৃষকের মুখে হাসি

শাহীন খন্দকার: [২] টাঙ্গাইল জেলার যমুনা নদীর তীরবর্তি ভূঞাপুর উপজেলার মাঠজুড়ে সরিষার হলুদ ফুলে ছেঁয়ে গেছে ফসলি জমির মাঠ। যতদূর চোখ যায় কেবল হলুদ আর হলুদ। হলুদের সমারোহে সজ্জিত সরিষার প্রতিটি ফুলে ফুলে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন। সরেজমিনে উপজেলা জেলার এলাকা ঘুরে সরিষা চাষের এমনিই চিত্র দেখা গেছে।

[৩] ভূঞাপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কৃষিবিদ আল-মামুন রাসেল চলতি মৌসুমে ভূঞাপুরে ৩হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ অর্জিত হয়েছে। আরও অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত বছর এই উপজেলায় ১৮শত ত্রিশহেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে।

[৪] কৃষক আমিনুল ইসলাম তালুকদার শিপ্লু জানান, এটেল মাটিতেও সরিষা চাষ হয়। তবে এটেল- দোআশ মাটিতে সরিষার চাষ সব থেকে ভালো হয়। ফলন ভালো হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৫-৬ মণ সরিষা পাওয়া যায়। আর বেশি কুয়াশা হলে সরিষা ক্ষেতের ক্ষতি হতে পারে। সরিষা জমিতে বপন করার পর থেকে তিন মাসের মতো সময় লাগে পরিপক্ক হতে। সরিষার বপনের পর ফুল আসে একমাস পর। দেড় মাস পর ফুলে সরিষা ধরে।

[৫] উপজেলার গাবসারার আবু বক্কর ও ফলদা ইউনিয়নের কৃষক শাকিল মিঞা চার একর জমিতে সরিষা চাষ করছি। ফলন বাম্পার হয়েছে। বাজার যদি ভালো থাকে তাহলে ২ হাজার টাকা মণ বিক্রি করতে পারব। তাছাড়াও এ বছর বন্যায় আমন চাষে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। বলেন, আমার সরিষা খেত খুবই ভালো হয়েছে। আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে আর বাজারে যদি দাম ভালো হয়, তাহলে লাভবান হতে পারব। বাজারে যদি পরে সরিষার দাম কমে যায়, তাহলে ক্ষতির মুখ দেখতে হবে।

[৬]উপজেলা কৃষি কর্মকর্ত প্রশ্নের জবাবে বলেন, সঠিক পরিচর্যা পেলে ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভূঞাপুরে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। বন্যার কারণে সরিষা চাষ একটু দেরি হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, গত বছরের চেয়ে আরও ভালো ফলন অর্জিত হবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত