প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিক্ষোভে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় নগরবাসীকে

বিশেষ প্রতিবেদন : সড়ক দুর্ঘটনার বিচার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে বুধবারও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এতে নগরজুড়ে সড়কে সৃষ্টি হয় যানজট।

চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় নগরবাসীকে। এতদিন নয় দফা দাবি জানিয়ে এলেও এদিন রামপুরার বিক্ষোভ থেকে কোনো শর্ত ছাড়া সপ্তাহের ৭ দিন সারা দেশে গণপরিবহণে হাফ ভাড়া কার্যকরসহ দুটি দাবি (মোট ১১টি) যোগ করা হয়। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ঘোষণা না এলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সূত্র : যুগান্তর

তবে আজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় রেখে চলমান আন্দোলনের ধরন বদল করেছেন আন্দোলনকারীরা। শিক্ষার্থীরা বলেছেন, সড়ক অবরোধ না করে তারা আপাতত দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত সড়কের একপাশে অবস্থান করে মানববন্ধন ও কালো ব্যাজ ধারণ করে কর্মসূচি পালন করবেন। সড়কে যাতে যান চলাচল বিঘ্ন না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য থাকবে তাদের।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙচুর করা ছাত্রদের কাজ নয়। এটা কেউ করবেন না দয়া করে। যার যার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যান। লেখাপড়া করেন। যারা দোষী অবশ্যই তাদের শাস্তি দেওয়া হবে।

অন্যদিকে রামপুরায় বাসচাপায় শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিন ইসলাম দুর্জয় নিহত হওয়ার জেরে গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বুধবার পুলিশ বাদী হয়ে ‘উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও জনতা’র নামে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেছে। এতে অজ্ঞাত ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বেলা সোয়া ১১টায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে রামপুরা সেতু এলাকায় অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। অবস্থান কর্মসূচিতে একরামুন্নেসা কলেজ, খিলগাঁও মডেল কলেজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দেন। শিক্ষার্থীরা দুটি লেন তৈরি করে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করেন। তারা শুধু ঢাকায় নয়, সারা দেশে ছাত্রদের জন্য বাসে হাফ পাশ চালুসহ ১১ দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

দুপুর ১২টার দিকে সেখানে গেলে সেতুর দুই পাশের সড়কে যানবাহন ও চালকদের কাগজ ও লাইসেন্স যাচাই করতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। যেসব গাড়ির কাগজপত্রে ত্রুটি ধরা পড়ে সেসব গাড়ি যাত্রী নামিয়ে রাস্তার একপাশে দাঁড় করিয়ে রেখে পুলিশের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

আর যেসব গাড়ির কাগজপত্র ঠিক সেগুলোর গ্লাসে ওকে লিখে ছেড়ে দেয়া হয়। তা ছাড়া জরুরি সেবার পরিবহনগুলোকে প্রমাণ সাপেক্ষে ছেড়ে দিতে দেখা গেছে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি গাড়ির কাগজপত্র দেখাতে বলেন শিক্ষার্থীরা।

ওই গাড়িটির চালকের লাইসেন্স ছিল না। চালকের সঙ্গে বাগ?বিতণ্ডার একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তখন ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।

ঘণ্টাখানেক পর পুলিশ জরিমানা করার পরে শিক্ষার্থীরা গাড়িটি ছেড়ে দেন। এ বিষয়ে পুলিশের খিলগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার (প্যাট্রল) রেজাউল হাসান যুগান্তরকে বলেন, গাড়িটির চালকের লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। এ জন্য চালককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অবস্থান নেওয়ার কারণে নতুন বাজার থেকে রামপুরা ব্রিজ পর্যন্ত একপাশের রাস্তা যানজটে স্থবির হয়ে পড়ে। অন্য পাশে রামপুরা-মালিবাগ সড়কে মৌচাক, মালিবাগ থেকে রামপুরা পর্যন্ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

এদিকে যানজটে ভোগান্তিতে পড়লেও সাধারণ মানুষ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখছেন। দুপুরে রামপুরা এলাকায় বাড্ডার দিক থেকে হেঁটে যাচ্ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি।

তিনি বলেন, কাল সৌদি যাব, তাই ভাটারা এলাকায় গিয়েছিলাম করোনা পরীক্ষার নমুনা দিতে। যানজটের কারণে হেঁটে ফিরতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের কষ্ট হলেও আমরা চাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরুক। আরেক পথচারী কামাল হোসেন বলেন, এদেশে কোথাও দাবি তুলে তা বাস্তবায়ন হয় না। দাবি আদায় করতে পারে শুধু ছাত্ররাই। আমাদের কষ্ট হলেও আমরা তাদের সঙ্গে আছি। দাবি আদায় হোক আমরা সেটাই চাই।

দুপুর ১টার দিকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে রামপুরা সেতু থেকে রামপুরা বাজার পর্যন্ত ঘুরে আসেন। এরপর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ফিরে বৃহস্পতিবারের কর্মসূচি ঘোষণা করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহিদুল ইসলাম আপন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (আজ) যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে, সেই কারণে আমরা শিক্ষার্থীরা কোথাও সড়ক অবরোধ করব না।

এদিন আমাদের আন্দোলন এবং অবস্থান কর্মসূচি শুরু হবে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে। আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্পটসহ প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান করব। কোনোভাবেই রাস্তা অবরোধ করব না। বিক্ষোভ না করে আমরা কালো ব্যাজ ধারণ করে শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন করব। তিনি বলেন, ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের জন্য বাসে হাফ ভাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলে শিক্ষার্থীদের বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হবে। সোমবার রামপুরায় বাসের চাপায় নিহত শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিনসহ সড়কে নিহত সবার আত্মার শান্তি কামনায় মোনাজাত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে রামপুরায় দুপুরা সোয়া ২টায় এ কর্মসূচি শেষ হয়।

শান্তিনগর মোড়ে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সবুজবাগ সরকারি কলেজ, খিলগাঁও আইডিয়াল কলেজসহ আশপাশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেলা সাড়ে ১১টায় ফ্লাইওভারের নিচে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। তবে তারা রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ করেননি। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান দিয়ে তারা নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের দাবি জানান। আশপাশের যানবাহনের চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক ছিল। পরে দুপুর পৌনে ২টার দিকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা শান্তিনগর মোড় থেকে কাকরাইলের ক্যাম্পাসের দিকে চলে যান।

রমনা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ করলেও তারা শান্তিনগর এলাকায় সড়ক অবরোধ করেননি। তাছাড়া কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি ছিল আমাদের।

দুপুর ১টার দিকে শাপলা চত্বর এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থান নেন মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল সেন্ট্রাল স্কুলের শতাধিক শিক্ষার্থী। শাপলা চত্বর এলাকায় দুপুর ২টা পর্যন্ত তারা অবস্থান করেন। শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক ও সড়ক দুর্ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করেন।

তারা ‘দাবি মোদের একটাই নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘জেগেছে জেগেছে ছাত্র সমাজ জেগেছে’ ও ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘আমার ভাইয়ের কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীরা রাস্তা বন্ধ করে গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকদের লাইসেন্স দেখেন। লাইসেন্স না থাকায় বেশকিছু গাড়ি আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দেন তারা। বিক্ষোভ চলাকালে হিমালয় পরিবহণের একটা বাস ভাঙচুর করেন শিক্ষার্থীরা। ছাত্রদের দাবি, লাইসেন্স চেক করার সময় হিমালয় পরিবহণের চালক প্রথমে কাগজপত্র না দেখিয়ে ধাক্কা দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে তারা।

তবে চালক মেহেদির দাবি, চাওয়া মাত্রই কাগজপত্র দেখিয়েছি। কাউকে ধাক্কা দেইনি। এদিকে বিক্ষোভ চলাকালে রাস্তা বন্ধ থাকায় মতিঝিলের চারদিকের রাস্তায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। পরে দুপুর ২টায় তারা রাস্তা ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

১৮ নভেম্বর বাসে অর্ধেক ভাড়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ২৪ নভেম্বর গাড়িচাপায় নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসানের মৃত্যুর পর তা রূপ নেয় নিরাপদ সড়কের ৯ দফা দাবির আন্দোলনে। এর মধ্যে সোমবার রাতে রামপুরায় বাসের চাপায় নিহত হন এসএসসির ফলপ্রত্যাশী মাইনুদ্দিন ইসলাম দুর্জয়।

৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা : রামপুরায় বাসচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ২৫০-৩০০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। বুধবার হাতিরঝিল থানার এসআই একেএম নিয়াজউদ্দিন মোল্লা বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলাটি করেন। এজাহার অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, কিছু পথচারীকে মারধর এবং স্থানীয় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়। এর আগে, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে রামপুরা থানায় আরেকটি মামলা করেছিল, যেখানে ৪০০ থেকে ৫০০ অজ্ঞাতজনকে আসামি করা হয়েছে।

নটর ডেম ছাত্র নিহতের স্থল পরিদর্শন মেয়রের : বুধবার দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির চাপায় নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। এ সময় তিনি বলেন, আমরা চাই কার্যকর পরিস্থিতি। কারণ এই জায়গায় দিনে দিনে যানবাহন চলাচল আরও বাড়বে। বিষয়টি মাথায় রেখে এ স্থানে একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে। মেয়র বলেন, এখানে যা-ই আমরা করি, তা মেধাবী ছাত্র নাঈম হাসানের নামে উৎসর্গ করব।

শিক্ষার্থীদের ১১ দফা : বুধবার শিক্ষার্থীরা ১১ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর ১ নম্বরটি ছিল- সড়কে নির্মম হত্যার শিকার নাঈম ও মাইনুদ্দিন হত্যার বিচার করতে হবে। তাদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। গুলিস্তান ও রামপুরা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় পথচারী পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে। দ্বিতীয়টি হলো-সারা দেশে সব গণপরিবহণে শিক্ষার্থীদের হাফ পাশ সরকারি প্রজ্ঞাপন দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে। হাফ পাশের জন্য কোনো সময় বা দিন নির্ধারণ করে দেওয়া যাবে না। বর্ধিত বাস ভাড়া প্রত্যাহার করতে হবে। সব রুটে বিআরটিসির বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।

চট্টগ্রামে বিক্ষোভ, ছাত্রলীগের হুমকি-ধমকিতে স্থান বদল : চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে বুধবার সকাল থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড়ে অবস্থান নেন। এ সময় ছাত্রলীগের একদল কর্মী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হুমকি-ধমকি দিয়ে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তর্কে জড়ান ছাত্রলীগকর্মীরা। পরে শিক্ষার্থীরা চেরাগী পাহাড় মোড় থেকে সরে গিয়ে মিছিল নিয়ে লালদিঘীর পাড়ে গিয়ে সমাবেশ করেন। শিক্ষার্থীদের অপর একটি গ্রুপ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এসে বিক্ষোভ করেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু ঢাকায় হাফ ভাড়া কার্যকর করলে হবে না। চট্টগ্রামসহ সারা দেশে এ নিয়ম চালু করতে হবে। এ দাবিতে আজ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি পেশ করা হবে।

রাজবাড়ীতে মানববন্ধন : রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, রাজবাড়ীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেলা ১১টায় পান্না চত্বর এলাকায় মানববন্ধন করেন। এ ছাড়া তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে নানা স্লোগান দিতে থাকেন। রাজবাড়ী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী হাসনাইন হাসান বলেন, আমরা আর কত প্রাণ দিলে সড়ক নিরাপদ হবে? শিক্ষার্থী রাফি বলেন, শুধু ঢাকায় কেন হাফ ভাড়া থাকবে? সারা দেশেই শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া পাশ করতে হবে। সরকার বিআরটিসি বাসে হাফ পাশ ভাড়া দিয়েছে কিন্তু সব রুটে তো বিআরটিসি নেই। বেসরকারি বাসেও হাফ পাশ ভাড়া নিশ্চিত করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত