প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সুব্রত বিশ্বাস: বিতর্কের রাজনীতি, রাজনীতিতে বিতর্ক

সুব্রত বিশ্বাস
কখনো কখনো ধর্মীয় জোট সমাজের কাছে বিষাক্ত হয়ে ওঠে। আর রাজনীতিকরা তার সুযোগ নেয়। রাজনীতি, ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। অসহিষ্ণুতা স্বস্তিতে রাখে না। যুগ যুগ কেটে গেলেও রাজনীতি ধর্মান্তরকরণ, তাতে সিলমোহর পড়েনি। সত্যের পক্ষে বা অনাচারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইকে ব্যক্তিগত স্তরে সীমাবদ্ধ রাখেননি। মতপ্রকাশের অধিকার তো বিশ^জনীন। অন্তত এই ইস্যুতে একজনকে কাঠগড়ায় তোলাটা বৃথা। সিস্টেমকে ব্যবহার করে একের পর এক কেলেঙ্কারি, মারদাঙ্গা, গণতন্ত্রের নামে পরিবারতন্ত্র… আমাদের দেশের এই ‘মহত্ত¡’কেও ছুঁয়ে গিয়েছে, সাফল্যের যে দৌড় শুরু করেছে, তার প্রতীক একজনই প্রধানমন্ত্রী, ট্র্যাডিশনাল শাড়ি, শান্ত-রাজকীয় উপস্থিতি, আর দু’টো কালো চোখ… যা সবসময় কাটাছেঁড়া করে যাচ্ছে রাজনৈতিক লড়াইকে।

স্মার্ট, আন্তরিক। রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে মাঝে মাঝে বলেন কিছু বোঝার চেষ্টা করেন। কিন্তু গভীরভাবে দেখলে, বিষয়টাতে তাঁর না আছে আবেগ। স্মার্ট, কিন্তু নার্ভাস না, পরিণত।’ প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচন যাঁর মতো যোগ্য কিন্তু নির্বিবাদী মানুষ গোটা দেশে পাওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রী দেশে ‘উদার গণতন্ত্র’ নিয়ে আসেনি কিন্তু ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। দেশ সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছে। দিকে দিকে ধর্মের নামে, রাজনীতির নামে মারামারি, জাতের নামে, ভোট, হিংসা, দুর্নীতি… এর থেকে মুক্তি পায়নি।

প্রতিটা মুহূর্ত পাতায় এঁকেছেন রাজনীতির নাম। মাটিতে করা বিছানা, ছাদের দরজা বেয়ে নেমে আসা হালকা বাতাস, আর আবছা আলো। ‘ভীষণভাবে মনে হয়, যদি তাঁর পাশে বসতে পারতাম… কিছু কথা বলার ছিলো… আর কিছু জিজ্ঞাসা… এতো কম সামর্থ্যে এতো বেশি কিছু করার শক্তি কোথায় পেয়েছিলেন? কীভাবে দেখেছিলেন এই স্বপ্ন?’ সত্যের পক্ষে বা অনাচারের বিরুদ্ধে তাঁর লড়াইকে ব্যক্তিগত স্তরে সীমাবদ্ধ রাখেননি।
লেখক : ব্যবসায়ী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত