প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মারা গেছেন পিটার বাক, যিনি হাজার ডলার পুঁজিকে বিলিয়নে রুপান্তরিত করেছিলেন

রাশিদ রিয়াজ : যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোক্তা সাবওয়ে’র সহ প্রতিষ্ঠাতা। ৯০ বছর বয়সে মারা গেলেন। বিশ্বের ৪০ হাজারেরও বেশি স্থানে সাবওয়ে স্যান্ডউইচ বিক্রি করছে। ফোর্বস বলছে তার সম্পদের পরিমান ১.৭ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্যান্ডউইচ বিক্রেতা কোম্পানি সাবওয়ে। সাবওয়ের সিইও জন চিডসে বলেন পিটার বাক ছিলেন আমাদের কাছে উজ্জ্বল উদাহরণ, ত্যাগী নেতৃত্ব দিয়ে যিনি হাতে কলমে আমাদের কাজ শিখিয়েছেন ও সাবওয়ে পরিবারের অবিচ্ছেদ্য সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৬৫ সালে পিটার বাক তার পারিবারিক বন্ধু ফ্রেড ডিলুকাকে সাবমেরিন স্যান্ডউইচ শপ খোলার পরামর্শ দেন। কানেক্টিকাটে ‘পিটস সুপার সাবমেরিন’ নামে প্রথম স্যান্ডউইচের দোকান খোলা হয়। বাক তার বন্ধু ফ্রেডকে ১ হাজার ডলার দেন। ১৯৭৪ সালের মধ্যে এধরনের ১৬টি দোকান চালু করা কানেক্টিকাটে। শুরুতেই তারা খাদ্য গবেষণা ও পরামর্শক ফার্ম টেকনোমিকের পরামর্শ নেন। ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সাবওয়ের বিক্রি দাঁড়ায় ১২.৩ বিলিয়ন ডলার। গত বছর কোভিড মহামারীতে এ বিক্রি হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ৮.৩ বিলিয়ন ডলার। সিএনএন

১৯৭০ এবং ৮০ এর দশকে যখন সাবওয়ে প্রথম জনপ্রিয়তা লাভ করে, তার অন্যতম কারণ ছিল গ্রাহকরা তাদের পছন্দ মত প্রতিষ্ঠানটি থেকে খাবার সংগ্রহ করতে পারতেন। টেকনোমিক-এর ভোক্তা ও শিল্প বিষয়ক পরিচালক রবার্ট বাইর্ন বলেন, এর অর্থ হচ্ছে গ্রাহকরা তাদের যা চান তা বেছে নিতে পারেন। এখন, গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব বুরিটো, সালাদ, স্যান্ডউইচ বা পছন্দের ডিশ তৈরির সুযোগ পান সাবওয়ে থেকে। গত জুলাই থেকে সাবওয়ে তার মেনুকে নতুন রেসিপি দিয়ে নতুন করে সাজিয়েছে, যা কোম্পানিকে ২০২১ সালের আগস্টে কোভিড পরবর্তী সময়ে বিক্রি বাড়াতে সাহায্য করেছে।

বাকের সহকর্মী সাবওয়ে প্রতিষ্ঠাতা ডিলুকা ২০১৫ সালে ৬৭ বছর বয়সে মারা যান। বাক ১৯৩০ সালে দক্ষিণ পোর্টল্যান্ড, মেইনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালে বোডইন কলেজ থেকে স্নাতক হন এবং কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর নিউক্লিয়ার ফিজিশিয়ান হিসেবে পেশাজীবন শুরু হয় তার। ১৯৯৯ সালে তার প্রয়াত স্ত্রীর নামে জনহিতকর প্রচেষ্টা দ্য পিটার এবং কারমেন লুসিয়া বাক ফাউন্ডেশন যাত্রা শুরু করে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত