প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বগুড়া নির্বাচনী সহিংসতায় কর্মীকে না পেয়ে স্ত্রীকে পিটুনি

আবদুল ওহাব, শাজাহানপুর প্রতিনিধি: [২] বগুড়া শাজাহানপুরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে সহিংসতা, নির্বাচনী অফিস ভাংচুর এবং কর্মীকে না পেয়ে তার স্ত্রীকে মারধর করার অভিযোাগ উঠেছে। এছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মারপিট ও হুমকি-ধামকিতে ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে নির্বাচনী পরিবেশ। এসব ঘটনায় ভয়ে অভিযোগ দেয়ার সাহস পাচ্ছে না বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

[৩] রোববার (১৪ নভেম্বর) উপজেলার আশেকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইদ্রিস আলী সাকিদার এবং খোট্রাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু সুফিয়ান সুমন এসব তখ্য নিশ্চিত করেন।

[৪] আশেকপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী (মটর সাইকেল প্রতীক) সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলী সাকিদার জানান, শুক্রবার দুপুরে রানীরহাট এলাকায় তিনি নির্বাচনী অফিস তৈরী করছিলেন। এমন সময় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ফিরোজ আলম ও তার কর্মীরা হামলা চালিয়ে তার অফিস ভাংচুর করে। কোনো নির্বাচনী অফিস ও পোষ্টারও লাগাতে দেবে না বলে তারা হুমকি-ধামকি দেয়। এ ঘটনায় রিটার্নিং অফিসারকে স্বশরিরে মৌখিকভাবে জানালে তিনি নৌকা প্রার্থীর সাথে স্বমন্বয় করে চলতে বলেছেন।

[৫] অপরদিকে নৌকার প্রার্থী ফিরোজ আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব মিথ্যা, বানোয়াট এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে।

[৬] এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুম কবির জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী সাকিদার মৌখিক ভাবে তাকে জানিয়েছেন। তাকে লিখিত ভাবে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

[৭] উপজেলার খোট্রাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু সুফিয়ান সুমন জানান, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল ফারুকের কর্মীরা তার ৬ কর্মীকে মারপিট করেছে। এছাড়াও জুজকুলা গ্রামে তার সমর্থক মুকুলকে না পেয়ে তার স্ত্রীকে মারধর করেছে এবং ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়েছে।

[৮] জালশুকা গ্রামের আবদুর রাজ্জাক নামে একজন শিক্ষক জানান, সুমনকে ভোট দেব জানতে পেরে তাকেও মারধর করেছে এবং ঐ গ্রামে লাগানো নির্বাচনী পোষ্টার ছিড়ে ফেলেছে। তবে এসব বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে তারা জানিয়েছেন। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আবদুল্লাহ আল ফারুক।

[৯] শাজাহানপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, একটি অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং নির্বাচনে কোন প্রকার সহিংসতা মেনে নেয়া হবে না। আর রিটার্নিং অফিসার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত