প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শওগাত আলী সাগর: রেইন্ট্রি হোটেলের ধর্ষণ মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে ভিন্ন রকমের একটি প্রতিক্রিয়া

শওগাত আলী সাগর: রেইন্ট্রি হোটেলের ধর্ষণ মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে ভিন্ন রকমের একটি প্রতিক্রিয়া এটি। প্রিয় ভাজন মিল্লাত হোসেন একজন বিচারক। তাঁর এই প্রতিক্রিয়াটি আমাকে বেশ আকৃষ্ট করেছে। তাঁর কথায় যুক্তি আছে। সাংবাদিক বন্ধুরা, বিশেষ করে নিউজ ম্যানেজমেন্টে যারা আছেন, তারা মিল্লাতের কথাগুলো নিয়ে নিজেদের মধ্যে পর্যালোচনা করতে পারেন।

মিল্লাতের ফেসবুক পোস্ট: বাংলাদেশের আইন-বিচার বিষয়ক সাংবাদিকতা কোনোদিনই বুঝি বালেগ হবে না। মোটামুটি রকমের কিছু চটকদারি কথা বকে দিয়ে সংবাদমাধ্যম আর সামাজিক মাধ্যমে ১/২ দিনের জন্য উত্তাপ ছড়িয়ে তারপর দ্রুতই শিথিল হয়ে যাবে। কেনারে বাপু, যেসব সাক্ষ্যপ্রমাণ আপন জুয়েলার্স মালিকদের মামলায় ব্যবহৃত হয়েছে সেসবই বেশ আগেই লিপিবদ্ধ করা। সেগুলোর অনুলিপি (পবৎঃরভরবফ পড়ঢ়ু বা নকল) চাইলেই আইনসঙ্গত উপায়েই সংগ্রহ করা যেতো আগেই। মামলাকারী/ভিকটিমদের আইনজীবীদের কাছেও পাওয়া যেতো। সেসবের ভিত্তিতে দারুণ দারুণ সব অনুসন্ধানী প্রতিবেদনও আজ মিলতে পারতো।

আর রায় যেহেতু এখন প্রকাশিতই হয়ে গেছে, এখন তা পাবলিক ডকুমেন্ট। এর ওপর আলোচনা, বিশ্লেষণ করতে বাধা নেই। এর সার্টিফাইড কপিও সংগ্রহ করা যায়। এছাড়া আর কী কী উপায়ে রায় হস্তগত করা যায়, এটা মনে হয় সাংবাদিক ভ্রাতা-ভগ্নিগণ ভুলে গেছেন। অনভ্যাসে বিদ্যা হ্রাস পায়ই। সাংবাদিকতা না করতে করতে ভুলে যাওয়াটাও অসম্ভব নয়। অবশ্য সস্তাতেই যদি পাবলিককে মাতিয়ে-তাতিয়ে রাখা যায়, তাহলে আর কারওইবা কষ্ট করার গরজ থাকে। লেখক : কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত