প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইসলামী আদর্শের সংস্কৃতি

মাহদী হাসান তাকী:  ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সংস্কৃতি হলো ইসলামী সংস্কৃতি । ইসলামের মূলনীতির উপর ভিত্তি করে মানুষ তার আচার-ব্যবহার, দেহ, মন ও আত্মাকে যেভাবে সংস্কার ও সংশোধন করে, তাই ইসলামী সংস্কৃতি। ইসলামী সংস্কৃতি তার আপন বৈশিষ্ট্য ও আপন গুণে গুনান্নিত। ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন দর্শন, তাই মানব জীবনের কল্যাণকর সকল কর্মকান্ডই এ সংস্কৃতির আওতাভুক্ত। এই সংস্কৃতির বিস্তারিত রূপ উদ্ভাসিত হয়েছে পবিত্র কুরআনে এবং রাসূলুল্লাহ সা. এর জীবনাচরণের মাধ্যমে তা পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়েছে।

কুরআন-সুন্নাহ বহির্ভূত কোন সংস্কৃতিকে ইসলামী সংস্কৃতি বলা যাবে না। ইসলামী সংস্কৃতির ভিত্তি হলো কুরআন ও সুন্নাহ। সুতরাং কুরআন-সুন্নাহর ভাবধারার সাথে সাংঘর্ষিক কোন সংস্কৃতিই ইসলামী সংস্কৃতি হতে পারেনা। কুরআন-সুন্নাহ বহির্ভূত সংস্কৃতি ইসলামী সংস্কৃতি কোন ভাবেই গ্রহণ করেনা।ইসলামী সংস্কৃতি কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী এক থাকে কোন পরিবর্তন পরিবর্ধন হয়না। ইসলামী সংস্কৃতি কুরআন-সুন্নাহ বর্ণিত উৎসব ব্যতিত অন্য কোন উৎসব গ্রহণ করেনা।

জীবন চর্চাই সংস্কৃতি। জীবন যেহেতু গতিশীল তাই সংস্কৃতিও সবসময় গতিশীল। জীবনের শুরু যেখান থেকে সংস্কৃতির সূচনা বিন্দুও সেখানেই। পৃথিবীতে মানুষের প্রথম জীবন চর্চা যেহেতু মহান আল্লাহর হিদায়াত ও আনুগত্য দিয়েই শুরু। তাই এ প্রথম জীবন চর্চাই ছিল ইসলামী সংস্কৃতির সূতিকাগার। সুতরাং নিশ্চিতভাবেই এ কথা বলা যায় যে, আদম আ. এর দ্বারাই ইসলামী সংস্কৃতির গোড়াপত্তন হয়। এবং যুগে যুগে নবী রাসূলগণের মাধ্যমে তা বিকশিত হয়ে শেষ নবী মুহাম্মদ স. এর যুগে এসে পূর্ণতায় পৌঁছায়। নবী করীম স. বলেছেন : উন্নত সংস্কৃতি জীবনধারাকে পূর্ণতাদান করার জন্য আমি প্রেরিত হয়েছি। (ইবন মাজাহ)

কুরআন মাজীদে বলা হয়েছে: আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম। এবং আমি ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত