শিরোনাম
◈ ‘আমরা থানা পুড়িয়েছি, এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’ : বৈষম্যবিরোধী নেতা ◈ টিকে থাকলেও থমকে গেল গতি—২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির বাস্তব চিত্র ◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণে নতুন রেকর্ড ◈ অধ্যাদেশ জারি: অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ব্যাংক গ্যারান্টি এক কোটি টাকা ◈ এ মাসের মধ্যেই হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে: নৌ উপদেষ্টা ◈ বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ‌লে নেই শান্ত ◈ হলফনামায় চমক: জোনায়েদ সাকির চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ অনেক বেশি ◈ নি‌জের মাঠেই হোঁচট খে‌লো লিভারপুল ◈ বাছাইয়ের প্রথম দিনে বিএনপি-জামায়াতসহ হেভিওয়েট যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলো ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী পাবেন, ‘না’ দিলে কী পাবেন না

প্রকাশিত : ০৯ নভেম্বর, ২০২১, ০১:৫০ দুপুর
আপডেট : ০৯ নভেম্বর, ২০২১, ০১:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১০ থেকে ১১টার ঘুমা আদর্শ, ভালো থাকবে হৃদযন্ত্র: গবেষণা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সম্প্রতি এই গবেষণার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে ইউরোপীয় হার্ট জার্নালে। ৮৮ হাজার মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে যে, যারা রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে নিয়মমাফিক এই সময়ের মধ্যে ঘুমাতে যান তাদের হৃদযন্ত্র তুলনামূলক সুস্থ থাকে। একুশে টিভি অনলাইন

যুক্তরাজ্যের গবেষণা দলটির মতে, সময় ঘড়ির সঙ্গে মিলিয়ে আমাদের দেহঘড়িকেওযদি পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া যায় তাহলে এতে হার্টএটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।

ইউরোপীয় হার্ট জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাটির জন্য গবেষকরা প্রথমে ৮৮ হাজার জন স্বেচ্ছাসেবক নির্বাচন করেছেন এবং এরপর তাদের হাতে ঘড়ির মত দেখতে একটি ডিভাইস সেট করে দিয়েছেন।

টানা ৭দিন এই ডিভাইসেই রেকর্ড করা হয়। তাদের ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে জেগে ওঠার সময় এবং সেই সময়ে তাদের শরীর সম্পর্কীয় বিভিন্ন তথ্য।

এভাবে ছয় বছর বিভিন্ন সময়ে এই প্রকৃয়া চালানো হয়। এবং দেখা যায়  ৮৮ হাজার জনের মধ্যে মাত্র ৩০০০ জন প্রপ্ত বয়স্ক মানুষের হার্টের রোগ হয়েছে।

সেটিও আবার এমন মানুষের ক্ষেত্রেই হয়েছে যারা বেশিরভাগ ঘুমের আদর্শ সময় মেনে চলেননি, অর্থাৎ, রাত ১০ টার আগে অথবা রাত ১১টার পরে ঘুমাতে গিয়েছিলেন।

এই গবেষণার প্রধান, যুক্তরাজ্যের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. ডেভিড প্ল্যানস বলেন, “যদিও আমরা আমাদের এই গবেষণার ফল থেকে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারি না, তবে এটুকু নিশ্চিত যে অনিয়মিত ঘুম হর্টের জন্য ক্ষতিকর।“

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের জেষ্ঠ্য কার্ডিয়াক নার্স রেজিনা গিবলিন বলেন, “ এই গবেষণায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে নিজের হার্টকে সুস্থ রাখতে, রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া একটি সুন্দর অভ্যাস হতে পারে।“

তবে এই গবেষণাটি একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের ওপর করা হয়েছে এটিও মনে রাখতে হবে বলে জানান গিলবিন। বলেন, “হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকির সঙ্গে ঘুমের বিষয়টি কীভাবে জড়িত তা জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।“

তবে হার্টের অসুখের জন্য অনিয়মিত ঘুমই একমাত্র কারণ নয়। উচ্চরক্তচাপ, কোলস্টেরল, অতিরিক্ত ওজন, শারীরিক পরিশ্রম না করা এবং লবণ ও অ্যালকোহল গ্রহণও হার্ট এটাকের ঝুঁকি বাড়ায়।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়