প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনাসহ দেশের নদ-নদীতে ৫১.৭ শতাংশ ডিম ছেড়েছে মা ইলিশ

শাহীন খন্দকার: [২] গত বছরের তুলনায় চলতি বছর দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। অক্টোবরের পূর্ণিমায় সবচেয়ে বেশি মা ইলিশ ডিম ছাড়তে সমুদ্র থেকে নদীতে প্রবেশ করে বলে জানিয়েছে, চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রখ্যাত ইলিশ গবেষক ড.আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, অভিযানের সঠিক সময় নির্ধারণ আর অনুকূল পরিবেশ পেয়ে ডিম ছাড়ায় সকল রেকর্ড ছাড়িয়েছে এ বছর।

[৩] আশ্বিন মাসের অমাবস্যা ও ভরা পূর্ণিমায় মা ইলিশ ডিম ছাড়ার জন্য পদ্মা-মেঘনায় চলে আসে। ইলিশের ডিমের পরিপক্কতা ও প্রাপ্যতার ভিত্তিতে এবছর ৪ঠা অক্টোবর থেকে ২৫শে অক্টোবর পর্যন্ত অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়। অভয়াশ্রমে গত বছর ছিল ৫১.২ শতাংশ, আর এবছরের রেকর্ড ৫১দশমিক ৭ শতাংশ ইলিশ ডিম ছেড়েছে।।

[৪] ড.আনিসুর রহমান বলেন,অনুকূল পরিবেশ পেয়ে ডিম ছাড়ায় সকল রেকর্ড ছাড়িয়েছে, তবে জাটকা মৌসুমে সঠিকভাবে সুরক্ষা দিতে পারলে আগামীতে ইলিশের উৎপাদন সাড়ে পৌঁনে ৬ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছাবে আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মা ইলিশের ডিম ছাড়ার হার ২০১৬ সালে ৪৩.৪৫ শতাংশ,২০১৭ সালে ৪৬.৪৭ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৪৭.৭৫ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৪৮.৯২ শতাংশ, ২০২০ সালে ৫১.২ শতাংশ, ২০২১ সালে ৫১.৭ শতাংশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ছিল ৩.৮৮ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩.৯৫ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪.৯৭ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৫.১৭ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫.৩৩ লাখ মেট্রিক টন এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৫.৫ লাখ মেট্রিক টন।

[৫] চাঁদপুর মৎস্য ইনস্টিটিউটের ইলিশ গবেষক ও মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেন, আমরা শুধু সর্বোচ্চ সময়টা বের করে দিয়েছি দুটি কারণে। একটি হচ্ছে মা ইলিশের নির্ধারিত অঞ্চলে উঠে আসার সুযোগ দেয়া এবং ডিম ছাড়া শেষে আবার ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া।

[৬] এছাড়া ব্যবসায়ীদের দাবি পদ্মা-মেঘনা ও দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা ইলিশের পেটে এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণে ডিম রয়েছে। ইলিশ ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, জাটকারক্ষা অভিযান আরও ১০ থেকে ১৫ দিন থাকলে মা ইলিশ আরও ডিম ছাড়ার সুযোগ পেত। নদীতে ছাড়া মা ইলিশের এই ডিমের ১০ ভাগ টিকানো গেলে আগামী মৌসুমে নতুন অন্তত ৪০ হাজার কোটি জাটকা পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত