প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় মহকুমা প্রশাসকের নাম অর্ন্তভূক্ত না থাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ

সোহাগ হাসান: [২] স্বাধীনতার ৫০ বছরেও সাবেক মহকুমা প্রশাসক ও রৌমারী ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেনের মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অর্ন্তভূক্ত না থাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

[৩] বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মুক্তিযোদ্ধাদের এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

[৪] সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গাজী শফিকুল ইসলাম শফি, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলহাজ্ব ইসহাক আলী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ তালুকদার, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, গাজী আমিনুল ইসলাম, সদর থানা কমান্ডার ফজলুর রহমান ফজলু প্রমুখ।

[৫] এসময় বক্তারা বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক, ১৯৬৪ সালে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের নির্বাচিত জিএস, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কুড়িগ্রামের রৌমারী মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং ১৯৭১ স্বাধীনতা পরবর্তী সিরাজগঞ্জ জেলা পুনগঠনে মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও (বেসরকারি) দায়িত্ব পালন করেছেন মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন। এখনো পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা এবং সাধারণ মানুষ তাকে এসডিও ইসমাইল নামেই চিনে। সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেনের নাম আজোও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় স্থান পায়নি। কিংবদন্তী এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দ্রুত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করাসহ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোরদাবি জানান। অন্যথায় জেলার সকল মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের দেশপ্রেমিক জনতাকে সাথে নিয়ে আন্দোলনমুখি বিভিন্ন কর্মসূচী পালনের ঘোষণা দেন।

[৬] বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন বলেন, আমি বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী। আমি তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। আমি দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলাম পরে আমি জানতে পারলাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় আমার নাম নেই। সেই কারণে গত ৭দিন আগে আমি সিরাজগঞ্জে এসেছি। আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট আমার নাম মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করাসহ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য জোরদাবি করি। তিনি আরো বলেন, এঘটনায় জেলার সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

[৭] মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ এর মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন। এসময় সিরাজগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ সমাজের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বাধিক পঠিত