প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রজনীকান্ত পেলেন ‘দাদাসাহেব ফালকে’ পুরষ্কার

বিনোদন ডেস্ক: তামিল তথা দক্ষিণী ছবির মহানায়ক। ৭০ বছরের রজনীকান্তের ঝুলিতে দেড়শোরও বেশি ছবি এবং সেগুলোর বিপুল সাফল্য। তামিল তো বটেই, অভিনয় করেছেন তেলুগু, কন্নড় এবং হিন্দি ছবিতেও।

রাজ্য পেরিয়ে দেশ, দেশ পেরিয়ে বিদেশ— তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এসেছে একের পর এক সম্মান। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারের যে তালিকায় নবতম সংযোজন, এ বছরের ‘দাদাসাহেব ফালকে’ পুরস্কার। জি নিউজ

সোমবার নয়া দিল্লির বিজ্ঞানভবনে আয়োজন করা হয়েছিল ৬৭ তম জাতীয় পুরস্কার অনুষ্ঠানের। সেখানেই সম্মানিত করা হয় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত তারকাদের। এদিন জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে দক্ষিণী তথা সর্বভারতীয় সুপারস্টার রজনীকান্তের হাতে ৫১ তম ‘দাদা সাহেব ফালকে’ পুরস্কার তুলে দেন উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু।

এদিন সাদা কুর্তা পরে অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন অভিনেতা রজনীকান্ত। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী লতা, কন্যা ঐশ্বর্য ও তার স্বামী, রজনীকান্তের জামাই ধানুশ। পুরষ্কার পেয়ে বেজায় খুশি রজনীকান্ত। হাসিমুখে ফ্রেমবন্দি থালাইভা। ভিডিওবার্তায় এদিন রজনীকান্তকে শুভেচ্ছা জানালেন অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে এ আর রহমান, মোহনলালের মতো তারকারা।

ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এই সর্বোচ্চ দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার গুরু কে বালাচন্দরকে উৎসর্গ করেন রজনীকান্ত। জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে এই সম্মান পাওয়ার পর তিনি বলেন, ‘আজকের এই পুরস্কার আমি আমার গুরু কে বালাচন্দর স্যারকে উৎসর্গ করছি। আমাকে আজ এই পুরস্কারে সম্মানিত করার পিছনে তার অবদান অনস্বীকার্য। এছাড়াও আমার দাদা সত্যনারায়ণ রাও গায়কোয়াড়ের কথা আজ খুব মনে পরছে। যিনি আমার পিতৃতুল্য। সত্যনারায়ণ রাও আমাকে জীবনের মূল্য বুঝিয়েছিলেন। যা কখনওই ভোলার নয়।’

প্রথমজীবনে বাস কন্ডাক্টার ছিলেন থালাইভা। সেই বাসের চালক রাজ বাহাদুর-ই প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন অভিনেতা রজনীকান্তকে। আজ সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেও তার জীবনের গোড়ার দিনের স্ট্রাগলিংয়ের কথা ভুলে যাননি রজনীকান্ত। সেইসময় যাদের পাশে পেয়েছিলেন, তাদের ভোলেননি তিনি। তাই ২৫ অক্টোবর দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার হাতে তুলেই ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সেসকল মানুষগুলোকে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত