প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সিনহা হত্যা মামলা: ৬ষ্ঠ দফায় ১ম দিনে ৮ জনের সাক্ষী সম্পন্ন ২য় দিনে বিচারকার্য শুরু

আয়াছ রনি: [২] মেরিন ড্রাইভ রোডে আলোচিত মেজর(অব) সিনহা হত্যা মামলার (২৬ অক্টোবর) মামলার ষষ্ঠ দফায় ২য় দিনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এর আদালতে বিচারকার্য শুরু হয়েছে বলে জানান, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

[৩] এ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহনের ষষ্ঠ দফার প্রথম দিনে সোমবার ২৫ অক্টোবর নিহত সিনহার সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরিকারী, জব্দ তালিকার সাক্ষী সহ মোট ৮ জন আদালতে জবানবন্দী ও আসামীদের পক্ষে জেরা সম্পন্ন হয়েছে।

[৪] সাক্ষ্য ও জেরার জবাব দেওয়া সাক্ষীরা হলেন-নিহত সিনহার সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরিকারী তৎকালীন কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশের এসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম ও একই থানার কনস্টেবল পলাশ ভট্টাচার্য, জব্দ তালিকার সাক্ষী কনস্টেবল উসালা মার্মা, সেনা সদস্য হীরা মিয়া, র‍্যাব-১৫ এর নৌবাহিনীর সদস্য আবু সালাম, কাউন্টার ম্যানেজার নবী হোসেন, আবুল কালাম ও শহীদ উদ্দিন।

[৫] এনিয়ে এ মামলায় মোট ৪৩ জন সাক্ষী অত্র মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেছেন আদালতে। তবে, সাক্ষ্য দিতে সমন পাওয়া ১৮ জন সাক্ষী সোমবার ২৫ অক্টোবর আদালতে হাজিরা দিলেও অবশিষ্ট সাক্ষীরা সময়ের অভাবে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেননি।

[৬] কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সেরেস্তাদার এম. নুরুল কবির জানান-এ মামলার চার্জশীটের ৮৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮২ নম্বর পর্যন্ত সাক্ষীকে সাক্ষ্য দিতে আদালতে উপস্থিত থাকার জন্য সমন দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১৫ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ খায়রুল ইসলামকে আদালতে সাক্ষ্য দিতে এখনো সমন দেওয়া হয়নি।

[৭] সাক্ষ্য গ্রহণকালে মামলার ১৫ জন আসামিকেও কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়েছে বলে জানান, পিপি এডভোকেট ফরিদুল আলম।
তারা হলেন- বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, রুবেল শর্মা, টেকনাফ থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া।প, কনস্টেবল সাগর দেব, এপিবিএনের এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ, পুলিশের মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নিজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

[৮] উল্লেখ্য ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ৮৩ জন সাক্ষী সহ ১৫ জনকে আসামি করে আলোচিত মামলাটি ‘পরিকল্পিত ঘটনা’ উল্লেখ করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

সর্বাধিক পঠিত