প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সংকট-অপ্রাপ্তির মাঝেও সম্ভাবনায় জবি ১৭বর্ষে

অপূর্ব চৌধুরী: [২] ২০০৫ সালের ২০ অক্টোবর পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ১৭তম বর্ষে পদার্পণ করছে প্রতিষ্ঠানটি।তবে সরকারি ছুটি থাকায় আগামীকাল উদযাপন করা হবে দিবসটি।

[৩] এখনো নানা সমস্যা-সংকট-অপ্রাপ্তি প্রকট এই বিদ্যাপীঠে । তবে শত শত সংকটের মাঝেও সম্ভাবনার আলো জ্বালাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

[৪] আবাসন, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষের সমস্যা
বিশ্ববিদ্যালয়টির সূচনালগ্নেরই সমস্যা। আবসন সমস্যা সমাধানে কেরানীগঞ্জে ২০১৮ সালের ৯অক্টোবর নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন ও ভূমি অধিগ্রহণের জন্য দুই হাজার কোটি টাকা অনুমোদন দেয় সরকার।

[৫] তবে তিন বছরে ভূমি অধিগ্রহণ ছাড়া কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি জানালেও খসড়া গঠনতন্ত্র পর্যন্তই তা সীমাবদ্ধ। পর্যাপ্ত পরিমাণ শ্রেণীকক্ষ আজও স্থাপিত হয়নি।

[৬] অতিসম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র খেলার মাঠও সিটি করপোরেশনের দখলে চলে যাওয়ার বিষয়টিও বাড়িয়েছে অপূর্ণতার মাত্রা।

[৭] তবে শত শত সংকটের মাঝেও শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বরাবরের মতোই ভালো করছেন। যাতে করে দেশ ও বিশ্বব্যাপী উচ্চারিত হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম।

[৮] অন্যদিকে অর্জনের মধ্যে রয়েছে ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারি সফলভাবে সমাবর্তন আয়োজন, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল উদ্বোধন।

[৯] পাশাপাশি নতুন উপাচার্য যোগ দেওয়ার পর গবেষণা খাতকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেন। গবেষণা খায়ে বাজেট গতবারের চেয়ে দ্বিগুণ করে দিয়েছেন।

[১০] বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও গবেষণা শিল্প পরিষদ (বিসিএসআইআর) এবং আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে গবেষণা সহযোগিতা চুক্তি করেছেন।

[১১] আনন্দ ও প্রাপ্তির ঝুলিতে আরও রয়েছে ঈদে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনে নিজ এলাকায় পাঠানো এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই টিকা কেন্দ্র স্থাপনের ব্যবস্থা করা।

[১২] বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, মৌলিক সুযোগ-সুবিধাগুলো নিশ্চিত করা হলে আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে স্বপ্নের এই বিশ্ববিদ্যালয়।

[১৩] সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি প্রকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপ দিতে কাজ করছি।গবেষণা খাতে বাজেট দ্বিগুণ করেছি। পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রমগুলোতেও শিক্ষার্থীদের অর্জনের মাত্রা বাড়াতে সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

[১৪] সবশেষে তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ত্বরান্বিত ও একটি আধুনিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের জন্য কাজ করে যাব।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত