প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালিদ খলিল: [১] যেভাবে এলো ইংরেজি সাতটি বারের নাম

খালিদ খলিল: [২] ইংরেজি সাতটি বারের নাম কিভাবে এলো তা হয়তো আমাদের অনেকের অজানা। এ অজানা কাহিনী নিয়ে আজকের প্যাঁচাল ।

[২.১] শনিবার (Saturday): রোমানরা মনে করত ‘স্যাটান’ নামক দেবতা আবহাওয়া, কৃষি ও বৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব পালন করেন, তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য তারা একটি দিনের নাম দেয় ‘স্যাটান ডেইজ’, যা বর্তমানে ‘Saturday’ (শনিবার) নামে পরিচিত।

[২.২] রবিবার (Sunday): প্রাচীনকালে দক্ষিণ ইউরোপের লোকেরা ভাবত একজন দেবতা প্রতিদিন আকাশে আলোর বল আকেঁন। এই আলোর বলের ল্যাটিন নাম সলিছ। এই ‘সলিছ’ নাম থেকে কালক্রমে ‘ডেইস সলিছ’ বা আলোর বলের নাম এলো। উত্তর ইউরোপে ‘ডেইস সলিছ’ কে ‘সানেন ডেইজ’ বলা হতো এবং এই ‘সানেন ডেইজ’ থেকেই কালক্রমে ‘Sunday’ (রবিবার) শব্দের উৎপত্তি।

[২.৩] সোমবার (Monday): দক্ষিণ ইউরোপীয়রা আকাশে রাতে রুপালি বল দেখে এর নাম দেয় ‘লুনা’ এবং একটি দিনের নাম দেয় ‘লুনা ডেইজ’। এই ‘লুনা ডেইজ’ শব্দটি উত্তর ইউরোপের লোকেরা উচ্চারণ করত ‘মোনান ডেইজ’ এবং তা থেকে ধীরে ধীরে ‘Monday’ (সোমবার) শব্দের উদ্ভব ঘটে।

[২.৪] মঙ্গলবার (Tuesday): প্রাচীনকালে বিশ্বাস ছিল ‘টিউ’ নামে একজন বুদ্ধ দেবতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মাকে একদল মহিলা কর্মীর সাহায্যে সুন্দর বিশ্রামস্থলে নেন। এই নেওয়ার কাজ তিনি যেদিন করতেন সেদিন নাম হয় ‘টুইজ ডেইজ’ যা পরে ‘Tuesday’ (মঙ্গলবার) হয়।

[২.৫] বুধবার (Wednesday): উত্তর ইউরোপীয়রা মনে করত দেবতা ‘উডেন’ লম্বা টুপি মাথায় দিয়ে সর্বত্র ঘুরতেন এবং তার কাঁদে দুটো কাল পাখি বসে থাকত। কিন্তু তিনি দুর্ঘটনাবশত একটি চোখ হারান। এরপর তার কাঁদের পাখিরা রাতে পৃথিবীতে কী কী ঘটছে তা দেখত এবং সকালে সব ‘উডেনকে’ জানাত। এই শক্তিশালী দেবতার জন্য সপ্তাহের একটি দিন উৎসর্গ করা হয় এবং এই দিনের নাম রাখা হয় ‘ওয়েনড ডেইজ’ যা পরে ‘Wednesday’ (বুধবার) নামে পরিচিত।

[২.৬] বৃহস্পতিবার (Thursday): প্রাচীনকালে মানুষ ভাবত ‘থর’ নামক দেবতা রেগে গেলে আকাশে বিশাল এক হাতুড়ি মারতেন, যা থেকে আলো চমকাত এবং এই সময় নিজে ছাগলচালিত এক গাড়িতে বসে থাকতেন। এই আলো হলো ‘বিদ্যুৎচমক’ তার গাড়ির চাকার শব্দই ‘বজ্রপাত’। এই থরের প্রতি সপ্তাহের একটি দিন উৎসর্গ করা হয় এবং সেই দিনটির নাম রাখা হয় ‘থোর্স ডেইজ’, যা বর্তমানে ‘Thursday’ (বৃহস্পতিবার)।

[২.৭] শুক্রবার (Friday): দেবতা ‘উডেন’ এর স্ত্রী ‘ফ্লিগ’ ছিলেন ভালোবাসা ও বিয়ের দেবী। তার প্রতি উৎসর্গকৃত দিনের নাম করা হয় ‘ফ্লিগ ডেইজ’ যা বর্তমানে ‘Friday’ (শুক্রবার)।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত