প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মঞ্জুরে খোদা টরিক: কীভাবে অস্বীকার করবেন শাসক দলের সংযোগ!

মঞ্জুরে খোদা টরিক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর হিন্দুপল্লীতে হামলা-ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগরে চার্জশিটভুক্ত আসামীরা পেলেন নৌকার টিকিট (ইত্তেফাক)! কীভাবে অস্বীকার করবেন শাসক দলের সংযোগ? উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হামলা ও সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা মোটেই নতুন নয় এবং তা ধারাবাহিক। দেশে সংকট-সমস্যার অভাব নেই। আর কোন সংকটে জনঅসন্তষ যখন প্রবল হয়- তখন এমন ইস্যু সামনে চলে আসে এবং তাৎক্ষণিক টোটকা দাওয়াই হিসেবে শাসকের তা খুব কাজেও লাগে।

বলবেন, এখানে আবার সরকারকে টানার কি আছে? সরকার তো একাজ করেনি বা করতে বলেনি। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। অতীতে যে অপকর্মগুলো হয়েছে তার কোনো একটার কি বিচার হয়েছে? কারও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়েছে? বরং তারা পুরস্কৃত হয়েছে। সেটা না হতে পারার কারণ-সমীকরণ কি? অনেক সংবাদ ও গবেষণায় আছে শাসক দলের সংশিষ্টতার তথ্যপ্রমাণ।

সরকারের সমালোচনার কারণে বিদেশে বসবাসকারী সাংবাদিক-সমালোচকদের দেশে ধরে এনে বিচার করার হুমকি দিতে পারে, মামলা করতে পারে, দেশে থাকা তাদের পরিবাদের সদস্যদের হয়রানী করতে পারেন, গ্রেফতার করতে পারেনÑ কিন্তু দেশের মধ্যে থাকা এ সব দাঙ্গাকারীদের শায়েস্তা করতে পারে না, সেটা কিভাবে মানা যায়?

দেশে দ্রব্য-মূল্যের দাম অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে, জনজীবনে সংকট বাড়ছে। ঘুষ-দুর্নীতি-অনিয়ম-লুটপাট বাড়ছে। সেটা নিয়ে ধর্মব্যবসায়ীদের কোনো কথা নেই, কিন্তু তারা ধর্মীয় অনুভূতির কথা বলে ধর্মান্ধরা কাতারে-কাতারে মাঠে নামছে। উপমহাদেশের রাজনীতিতে এটা একটা কমন ট্রেন্ডÑ ধর্মকে সমাজ-রাজনীতির নানা প্রয়োজনে কাজে লাগানো। আর কতো বিচারের কথা বলবো? কুমিল্লা ও চাঁদপুরে পুজামণ্ডপে হামলার ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানাই। লেখক ও গবেষক

সর্বশেষ