প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মেট্রোরেলের বর্ধিত অংশের কাজ ডিএসসিসির প্রকল্পের সঙ্গে সাংঘর্ষিক: মেয়র তাপস

শাহীন খন্দকার: [২] মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল প্রকল্পের বর্ধিত অংশের কাজ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) চলমান প্রকল্পের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ বলেছিল, সিটি করপোরেশন যে নর্দমার কাজ করছে, সেটি মেট্রোরেলের কাজের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না। কিন্তু সরেজমিন দেখা যাচ্ছে, এটা সাংঘর্ষিক হচ্ছে। প্রথম আলো

[৩] বুধবার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে টিটিপাড়া পর্যন্ত জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় কমলাপুর এলাকার জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, মেট্রোরেল মতিঝিল শাপলা চত্বর পর্যন্ত এসেছে, সেটা এখন বর্ধিত করে কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত আসবে। এর কারণে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। মেট্রোরেল প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের ইঙ্গিত করে মেয়র বলেন, ঘরে বসে পরামর্শ দিয়ে করা নকশা কার্যকর নয়। সরেজমিন প্রতিটি সংস্থার সঙ্গে, বিশেষ করে সিটি করপোরেশনের সমন্বয় করা ছাড়া যদি নকশা করা হয়, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।

[৪] সাংবাদিকেরা কদমতলী এলাকার জলাবদ্ধতা এবং শ্যামপুর এলাকার শিল্পপ্রতিষ্ঠানে গ্যাসের লাইন বন্ধের বিষয়েও মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ প্রসঙ্গে মেয়র শেখ তাপস বলেন, ‘ত্রুটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক। জলাবদ্ধতা নিরসনে যে কার্যক্রম পরিদর্শনে এসেছি, এখানেও নতুন করে এমআরটি লাইন স্থাপনের জন্য তারা আবেদন করেছে। আমাদের পরিকল্পনার সঙ্গে তাদের পরিকল্পনা সাংঘর্ষিক হচ্ছে। তিনি বলেন, শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলের জন্য আমরা বৃহৎ কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। কিন্তু পদ্মা রেলসেতুর যে কার্যক্রম সেই কার্যক্রমের কারণে পানি নিষ্কাশনের মুখগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। যার কারণে এখন পুরো শ্যামপুর শিল্পাঞ্চল এই সময়েও জলাবদ্ধতায় নিমগ্ন।

[৫] মেয়র আরও বলেন,‘আমরা তাদের বারবার বলেছি, তাদের অনুরোধ করেছি, আমাদের কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা যেন সেখানে কালভার্ট করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে। কিন্তু তারা কোনো নজর দিচ্ছে না।এভাবে বিভিন্ন সংস্থা ঢাকাকে পুঁজি করে অপরিকল্পিতভাবে আমাদের সঙ্গে কোনো সমন্বয় ছাড়া কাজ করছে। এতে ঢাকাবাসীর দুর্ভোগ দিন দিন শুধু বৃদ্ধি পাচ্ছে।

[৬] এ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে এরই মধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।এসময় দক্ষিণ সিটির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত