প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ওসি প্রদীপ আমার কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ করেছে বলে সাক্ষ্যদেন বেবী বেগম

আয়াছ রনি: [২] মেজর (অব) সিনহা হত্যা মামলার পঞ্চম দফার প্রথম দিনের বিচারিক কার্যক্রম বেবি বেগমের আংশিক অসমাপ্ত জেরা দিয়ে শুরু করেন।পরে বাকি ৯ জনের মধ্যে ৭ জনের সাক্ষীর জবানবন্দী ও জেরা সম্পন্ন করেন আদালত।

[৩] এ সময় মামলার ২০ তম সাক্ষী বেবী বেগম বলেন, টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপকে ধর্ষক দাবি করে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

[৪] রোববার (১০ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টায় জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে বেবী বেগমকে আসামি পক্ষের আইনজীবীদের জেরা দিয়ে পঞ্চম দফার বিচারকাজ শুরু হয়।

[৫] এর আগে চতুর্থ দফার সাক্ষ্য শুনানির শেষ দিনে বেবী বেগম আদালতকে বলেন, ওসি প্রদীপ ও তার বাহিনী ২০২০ সালে আমার কিশোরি কন্যাকে তুলে নিয়ে দীর্ঘদিন থানায় দ্বিতীয় তলায় আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এরপর মেয়ে বাড়ি ফিরে এসে কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়।

[৬] সেসময় প্রশাসন ওসি প্রদীপের পক্ষে থাকায় কোন মামলা করার সাহস পাননি দাবি করে বেবী বেগম বলেন, পরে মেজর সিনহা হত্যা মামলার পর তিনি সাহস পেয়ে ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে আদালতে ধর্ষণ মামলা করেছেন।

[৭] রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এড. ফরিদুল আলম জানিয়েছেন, ১০ অক্টোবর সকালে বিচারিক আদালতে ৯ জন সাক্ষীর হাজিরা দেয় রাষ্ট্রপক্ষ।

[৮] তার মধ্যে ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য সম্পন্ন হয়।তারা হলেন: সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট মোঃ মুনতাসীর আরিফিন,সার্জেন্ট মোঃ মোক্তার আহম্মদ, কর্পোরাল নুর মোহাম্মদ, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আবুজাফর সৈয়দ মঈন, লেন্স কর্পোরাল রুহুল আমিন।

[৯] সার্জেন্ট জিয়াউর রহমান,আনিসুর রহমানের সাক্ষী নেওয়ার জন্য আদালতে সময় না থাকায় সাক্ষ্যগ্রহন করতে পারে নাই।

[১০] জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সেরেস্তাদার এম. নুরুল কবির জানান- ১১ অক্টোবর আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য চার্জশীটের ৪০ থেকে ৪৯ নম্বর এবং ১২ অক্টোবর ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর সাক্ষীকে সমন দেওয়া হয়েছে আদালতে সাক্ষী দেওয়ার জন্য। এ পর্যন্ত মোট ২৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দী ও জেরা সম্পন্ন

সর্বাধিক পঠিত