প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মহিউদ্দিন আহমদ: ওই ব্যাটা কেন নোবেল পেলো, এ কেন পেলো না?

মহিউদ্দিন আহমদ : ওই ব্যাটা কেন নোবেল পেলো, এ কেন পেলো না? এ তর্ক বোধকরি বাঙালি ছাড়া কেউ করেন না। বাঙালি যার নাম শোনেননি, সে কেন নোবেল পাবেÑসেটা হলো কথা। এ দেশ হলো চির শান্তির দেশ। সব অশান্তি বিদেশে। তাই বাঙালি শান্তি নিয়ে মাথা ঘামায় বেশি। আর সাহিত্য? বাঙালির তো দুনিয়ার সব ক্লাসিকস পড়া শেষ। সে তো রায় একটা দেবেই। ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি আর মেডিসিন নিয়ে এখানে বেশি কথাবার্তা হয় না। কারণ ওই বিষয়গুলো আর তাদের লোকেদের কথা জানতে হয়। কার এতো ঠ্যাকা? বাঙালি কিন্তু মোটেও হিংসুটে কিংবা পরশ্রীকাতর নয়। বাঙালি দুনিয়ার অন্য সব মানুষের চেয়ে বেশি বোঝে বলেই তার মতামত দেওয়ার একটা অধিকার আছে।

নির্বাচিত মন্তব্য : [১] মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন-ভালো ইংরাজিতে অনুবাদ না করতে পারলে নোবেল বিজয়ী হওয়া দুষ্কর। সুনীল গাঙ্গুলী একবার এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যে ভারতীয়রা যে ঢঙে ইংরেজি বলেন, তা অনুবাদ সাহিত্যের জন্য উপযোগী নয়।

[২] আবদুল আউয়াল-যার যেমন ভালো লাগে বলার অধিকারতো আছেই। আরও বেশি জানলে তো বিজ্ঞানের সকল ধারা নিয়েই বলতো। আমরা তো এখন বিজ্ঞান নয়, ব্যবসা ব্যবস্থাপনা নিয়েই লেখাপড়ায় ব্যস্ত। তবে দোষ শুধু বাঙালির নয়, অনেক দেশের মানুষের মনোবিকার এরকম।

[৩] রিমন ইসলাম-ওহ তাই নাকি। ভালো বলেছেন। সাহিত্য আর শান্তি এই দুই বিষয় ভালো জানে বিধায় এতো আলোচনা। বাকি চারটি বিষয়ে জ্ঞান খুব কম বলে ওইসবে কোনো আগ্রহ নেই। হা হা হা।

[৪] কাজী জাওয়াদ-আমি রাগ হইসি। আপনে বাঙালিরে লইয়া এমুন কথা কইলেন। জানেন মাথাপিছু মতামতের হারে বাঙালি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ। জনপ্রতি শতকরা ৩০০। মতামত দেওয়া একটা মানবাধিকার। মতপ্রকাশের অধিকার বাংলাদেশের মতো আর কোথাও নেই।

[৫] আতিকুর রহমান-একদম খাঁটি কথা বলেছেন ভাই। আমরা প্রশান্তিকা নামে একটা অনলাইন পত্রিকা বের করি। সেখানে শুধু শান্তি আর সাহিত্যে নোবেলটাই কাভার করেছি। স্পট ওয়ান। বাঙালি বিদেশে এসেও বদলায়নি! ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত