প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিরাপদ ভ্রমণের দোয়া-আমল

ইসলামী ডেস্ক: কমবেশি সবাই ভ্রমণ করে। ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-কর্ম, আনন্দ-উচ্ছ্বাস কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে ছুটে যেতে হয় শহর থেকে শহরে। ভ্রমণ শুধুমাত্র কাজ ও প্রফুল্লতার জন্য নয়। বরং ভ্রমণ ইবাদতও হতে পারে অনেক সময়। কোরআন-হাদিসে এ প্রসেঙ্গ বিভিন্ন আলোচনা এসেছে।

বাহনে চড়ার পর রাসুল (সা.) ভ্রমণের দোয়া পড়তেন, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সুবহানাল্লাজি ছাখ্‌খারালানা হা-যা ওয়া-মা-কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুন কালিবুন।’

অর্থ : আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি অত্যন্ত দয়ালু ও অশেষ করুণাময়। তিনি পূতপবিত্র ওই সত্তা যিনি বাহনকে আমার অধীন করে দিয়েছেন। আমাদের কাছে তাকে আয়ত্তে আনার ক্ষমতা ছিল না। অবশ্যই আমরা আমাদের প্রভুর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।

রাসুল (সা.) আরেকটি দোয়া পড়তেন- ‘আল্লাহুম্মা হাওয়িন আলাইনা সাফারনা হা-যা, ওয়াতওই আন্না বু’দাহু, আল্লাহুম্মা আনতাস্‌-সাহিবু ফিস্‌-সাফার, ওয়াল খালিফাতু ফিল আহলি ওয়াল মাল। আল্লাহুম্মা ইন্না নাউজুবিকা মিন ওয়া-ছা-ইস সাফারি ওয়া-কাআবাতিল মানজারি, ওয়া সুইল মুনকালাবি ফিল আহলি ওয়াল মাল।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের এ সফর সহজ করে দাও। রাস্তার দূরত্ব কমিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তুমি আমাদের সফরের সঙ্গী এবং আমাদের পরিবারের কাছে তুমি আমাদের স্থলাভিষিক্ত। হে আল্লাহ! তোমার কাছে সফরের কষ্ট-ক্লান্তি ও ভয়ানক দৃশ্য দেখা থেকে এবং পরিবার, সম্পদ-বিত্ত ও অধীনস্তদের কাছে খারাপ অবস্থায় ফেরত আসা থেকে তোমার কাছে রক্ষা চাই। (মুসলিম, হাদিস : ৯৭৮/২)

ভ্রমণের মাঝপথে কোথাও অবস্থান করতে হলে এ দোয়া পড়ার নির্দেশ দিয়ে রাসুল (সা.) বলেন, ‘এই দোয়াটি পড়লে, ঘরে ফেরা পর্যন্ত কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারবে না। দোয়াটি- ‘আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক’ (মুসলিম, হাদিস : ২৭০৮)

অর্থ : আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা চাচ্ছি। বাংলা নিউজ২৪.কম

সর্বাধিক পঠিত