প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোবট টহল দেবে জনগণের ‘আপত্তিকর’ আচরণ ঠেকাতে !

ডেস্ক রিপোর্ট: মানুষের কাজকে সহজ ও গতিশীল করতে বিশ্বব্যাপী ক্রমে জনপ্রিয় হচ্ছে রোবট। বিশ্বের বড় বড় কল-কারখানার পাশাপাশি রান্নাবান্না, ঘরদোর পরিষ্কার থেকে শুরু করে মহাকাশ, বিনোদন, শিক্ষা, মেডিকেল, দুর্যোগ ও সামরিক কাজেও বেশ দক্ষ হাল আমলের রোবট। জটিল অপারেশনেও ডাক্তারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়ে উঠেছে রোবট। এবার রাস্তায় জনগণের ‘আপত্তিকর’ আচরণ ঠেকাতে টহল দেওয়ার কাজে রোটব নামাতে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর সরকার।বাংলাদেশ প্রতিদিন

করোনার আচরণবিধি লঙ্ঘন করে পাঁচজনের বেশি মানুষ এক জায়গায় জড়ো হলে, নিষিদ্ধ এলাকায় কাউকে ধূমপান করতে দেখলে, অবৈধ হকার দেখলে, নির্দিষ্ট জায়গায় সাইকেল পার্ক না করলে এবং ফুটপাতে মোটরসাইকেলসহ অন্য যান চালালে রোবট সতর্ক করে দেবে। জেভিয়ার নামের চাকাযুক্ত এই রোবটে আছে সাতটি ক্যামেরা। এই ক্যামেরার মাধ্যমে জনগণের ‘আপত্তিকর’ আচরণ শনাক্ত করে জনগণকে সর্তক করবে রোবট।

সম্প্রতি একটি আবাসিক এলাকায় টহলরত এক রোবট কয়েকজন বৃদ্ধদের এক জায়গায় জড়ো হয়ে দাবা খেলার সময় তাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে সতর্ক করে বলে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
পরীক্ষামূলকভাবে দুটি রোবট টহল দিয়েছিল আবাসিক এলাকা ও একটি শপিং সেন্টারে সেপ্টেম্বরে তিন সপ্তাহের জন্য। গবেষণা সহকারী হিসেবে কর্মরত ফ্র্যানি টিও বলেন, ওই রোবট আমাকে রোবকোপের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল।

সিঙ্গাপুর সরকার জনগণের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপের জন্য বরাবরই সমালোচিত হয়ে আসছে। এই টহল রোবটের কার্যক্রম মানুষের গোপনীতায় লঙ্ঘন করবে বলে সমালোচনা করেছেন অনেকে। সিঙ্গাপুরে ৫৫ লাখ মানুষের বসবাস। কিন্তু সেখানে পুলিশ ক্যামেরা আছে ৯০ হাজার। এছাড়া ভীড়ের মধ্যে থেকে কাঙ্ক্ষিত মুখ খুঁজে পেতে ক্যামেরাগুলো ফেসিয়াল রিগকনিশন আনতে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর। ল্যাম্পপোস্টে এই ফেসিয়াল রিগকনিশন প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে পুলিশ ক্যামেরা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে দেশটিতে।

সর্বাধিক পঠিত