প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এয়ারলাইন্সের অসহযোগিতায় বন্ধ হচ্ছে না স্বর্ণ চোরাচালান

খালিদ আহমেদ: [২] এ অভিযোগ করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুর রউফ বলেন, ইদানিং স্বর্ণের চোরাচালান বেড়ে গেছে। আর সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা না করায় অপরাধীদের গ্রেপ্তার সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনায় অনেক সময়ই উড়োজাহাজে অভিযান চালানো সম্ভব হয় না।

[৩] তিনি বলেন, বিমানের ‘বডি’তে কয়েকটি স্পর্শকাতর জায়গায় ‘স্ক্রু’ দিয়ে খুলে চোরাচালান পণ্য ঢুকিয়ে রাখা হয় জানি। ১২০টি স্বর্ণের বার উদ্ধারের সময় বিমান কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছিলাম কয়েকটি সেনসেটিভ প্লেস খুলে দিতে, তারা দেয়নি। তারা বলে- টেকনিশিয়ান নেই, চিঠি লিখতে হবে, চিঠি দেন।

[৪] তিনি আরও জানান, জড়িত সন্দেহভাজন কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলে চোরাচালান সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়া সম্ভব হতো। আগামীতে এই ধরনের ঘটনা ঘটলে উড়োজাহাজ জব্দ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারী দিয়েছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর মহাপরিচালক।

[৫] বিমানের কোনো ক্রুকে গ্রেপ্তার না করার বিষয়ে তিনি বলেন, গ্রেপ্তার বা বিমান জব্দ করতে পারলে ভালোই হত। তবে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিবেচনায় তেমন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। সোনা উদ্ধারের সময় বিমানের কেউ ছিল না। বিমানের কাউকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। বিমানও জব্দ করা হয়নি। থানায় মামলা হয়েছে, তারা তদন্ত করবে।

[৬] বুধবার দুবাই থেকে আসা বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে ১০ কোটি টাকা দামের ১৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।

[৭] মঙ্গলবার বিকেলে দুবাই থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামে। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কাছে খবর ছিল এই ফ্লাইটেই আসছে স্বর্ণের বড় একটি চালান।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত