প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সিরাজগঞ্জে ১০ টাকা কেজির চাল বিতরণে অনিয়ম

সোহাগ হাসান: [২] সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নে ১০ টাকা কেজির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ডিলার আনোয়ার হোসেনের ডিলারের বিরুদ্ধে। ডিলার আনোয়ার হোসেন খোকশাবাড়ী ইউনিয়নে চন্দ্রকোনা গ্রামের বাসিন্দা। সদর উপজেলার চন্দ্রকোনা বাজারের হতদরিদ্রদের ৫২৫টি কার্ডের বরাদ্দে ১০ টাকা দরের চাউল বিক্রি করেন।

[৩] সোমবার (৪ অক্টোবর) সকালে চন্দ্রকোনা গ্রামের হতদরিদ্র ১৩০জন কার্ডধারীকে সেপ্টেম্বর মাসের চাউল না দেওয়ায় অভিযোগ উঠেছে এবং গত ৪দিন ধরে নানা তালবাহানা করছে ডিলার আনোয়ার হোসেন। একারণে কার্ডধারীরা চাউল না পেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

[৪] খাদ্য অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা যায়, ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। হতদরিদ্রদের ১০টাকা কেজি দরে চাল বিতরণের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি হালনাগাদ করছে সরকার। এ কর্মসূচির উপকারভোগীদের সংখ্যা ৫০ লাখ হওয়ার কথা থাকলেও এতোদিন ৫০ হাজারের মতো কম ছিল। এখন এ উপকারভোগীদের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মারা যাওয়া ও স্থানান্তর হওয়া উপকারভোগীদের বিচেনায় নিয়ে তালিকা হালনাগাদ তৈরি করেছে সরকার।

[৫] ভূক্তভোগি কার্ডধারী আব্দুল মান্নান সেখ কার্ড নং-১৯৪৮, মোঃ ইউসুফ আলী কার্ড নং-১৭৬৩, মোছাঃ মুরশিদা খাতুন কার্ড নং-২০৯৭, আছিয়া বেগম কার্ড নং-১৭২২, মোঃ সেলিম কার্ড নং-১৭১৫, মোছাঃ সুফিয়া কার্ড নং-১৭৭৫, মোছাঃ মাজেদা বেগম কার্ড নং-৯৬৩, মোছাঃ নুরনাহার কার্ড নং-৮৮২, মোছাঃ সাহেলা খাতুন কার্ড নং-১৭৬২, মুক্তা কার্ড নং-১৫৩৯, মোছাঃ রেহেনা বেগম কার্ড নং-১৭৬৪ সহ ১৩০জন কার্ডধারীরা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের চাউল না দিয়ে তার গোডাউনে রক্ষিত রেখেছে। আমরা তালিকাভুক্তরা চালের জন্য গেলে আমাদের গালমন্দ করে তাড়িয়ে দেন। এই বিষয়টি সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেছি।

[৬] সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার পারভেজ জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ডিলার আনোয়ার হোসেনকে ৪দিনের মধ্যে সমস্ত চাউল বিতরণের জন্য বলা হয়েছিলো। কিন্তু তিনি কিভাবে চাউল বিতরণ করেছে সেটা সরেজমিন তদন্ত করব। দোষী হলে ব্যবস্থা নিবো। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত