প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পরীর পাহাড়ে আইনজীবীদের পাঁচ ভবনের নকশা কিভাবে, অনুমোদন জানতে চেয়ে চিঠি

এম আর আমিন: [২] চট্টগ্রামের পরীর পাহাড়ে আইনজীবীদের পাঁচ ভবনের নকশা কিভাবে সিডিএ থেকে অনুমোদন করা হয়েছে তা জানতে চেয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গত ( ৩ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. মাহমুদুর হাবিব এ বিষয়ে জানতে সিডিএ চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

[৩] তিনি আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে পরীর পাহাড়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত জমিতে জেলা আইনজীবীদের ৫টি স্থাপনা নির্মাণের জন্য কিভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, সে বিষেয়ে বিস্তারিত ব্যাখা দিতে বলেছেন। চিঠিতে বিষয়টি বর্তমানে বহুল আলোচিত এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হতে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য জেলা প্রশাসন চট্টগ্রামকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে, এছাড়া জমির মালিকানা নিশ্চিত না হয়ে নকশা অনুমোদনের কর্তৃত্ব কোন প্রতিষ্ঠানের নেই বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

[৪] চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পরীর পাহাড়ে ১২ তলার দুটি ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে এখন জেলা আইনজীবী সমিতির আগের নির্মাণ করা পাঁচটি ভবনসহ সেখানে গড়ে উঠা সব অননুমোদিত ভবন অপসারণের মুখে পড়তে যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে— পরীর পাহাড়ে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং ৭১টি আদালত ছাড়া বাদবাকি সব স্থাপনাই উচ্ছেদ করতে। চট্টগ্রামের প্রশাসন সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন ।

[৫] পাহাড়ের চূড়ায় প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিংয়ে অবস্থিত। এ অংশে রয়েছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ সর্বমোট ৭১ টি আদালত। জেলা প্রশাসকের নামে এখানে সরকারের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ১১.৭২ একর জায়গা রয়েছে। ঐতিহাসিক এই পাহাড়টিকে রক্ষা করে পরীর পাহাড়কে পরীর পাহাড়ের মতো করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

[৬] চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করা হবে। পরীর পাহাড়ের পরিবেশ এবং প্রকৃতি রক্ষা করতে আমরা প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেবো। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-২০১০ অনুযায়ী কোন পাহাড় বা টিলার কোনরূপ স্থাপনা কা সরকারের পূর্বানুমতি ব্যাতিত। সিডিএ অনুমোদন দিলেও করা যাবে না। পরিবেশ সংরক্ষণের ব্যাপারটি হচ্ছে আইন আর সিডিএর হচ্ছে নীতিমালা। নীতিমালা থেকে আইন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

[৭] এদিকে পরীর পাহাড়ের ব্যাপারে সরকারি নির্দেশনা প্রসঙ্গে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ এনামুল হক বলেছেন, আদালত ভবনের সাথে আমাদের ভবনগুলো অর্থাৎ আইনজীবী ভবনগুলো গভীরভাবে সম্পর্কিত। আমাদের সবকটি ভবনের অনুমোদন রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত