প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সুজয় শুভ: মেন্টাল ইলনেসকে মডার্ন সাইকিয়াট্র্র্রি যেভাবে অ্যাপ্রোচ করে তার মধ্যে একটা বড় চালাকি আছে

সুজয় শুভ: ইন্ডিভিজুয়াল দিয়ে পুরা বিষয়টাকে অ্যাপ্রোচ করে। মানে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র সাংগঠনিকভাবে যেই ইনজাস্টিস, সাইকোসিস, প্যাথলজি, প্যারানয়া ব্যক্তির উপর চাপিয়ে দিচ্ছে, ব্যক্তির দায়িত্ব হচ্ছে সেটা একা একা মোকাবিলা করা এবং এটার পুরা দায়ভার ব্যক্তির উপর বর্তায়, বড়জোর এটার দায়ভার ব্যক্তি, কাউন্সেলর, সাইকিয়াট্রিস্টের উপর বর্তায়। কিন্তু মেন্টাল হেলথের সিংহভাগ পলিটিক্যাল, স্যোশাল। কিন্তু যে কোন মানসিক সমস্যা/রোগ নিয়ে পড়লে দেখবেন তারা মোটাদাগে জেনেটিক্যাল প্রবলেম, ক্যামিক্যাল ইমব্যালান্স এগুলার কথা বেশি বলে। এগুলাও ফ্যাক্টর, কিন্তু পলিটিক্যাল, স্যোশাল ফ্যাক্টর নিয়ে ট্রিটমেন্ট সিস্টেমের মধ্যে কথা বেশি বলার সুযোগ নাই।

ফিয়ার, ইনসিকিউরিটি, প্রোডাক্টিভিটি, ট্রমা এগুলা ক্যাপিটালিজমের মধ্যে কিভাবে ফাংশন করে, সেটাতো আমরা জানি। সেটাকে অ্যাপ্রোচ না করে মেন্টাল হেলথকে কিভাব অ্যাপ্রোচ করব? যদি কোন সাইকিয়াট্রিস্ট কিংবা সাইকোলজিস্ট বলে, আমেরিকান ক্যাপিটালিজম হচ্ছে মানসিক রোগের প্রধান কারণ, তাকে বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা হাসপাতাল কি চাকরিতে রাখবে? WHO কি কোন দিন এটা বলবে? পশ্চিমে ইয়োগা, মাইন্ডফুলনেস, ওয়েল বিং ইন্ড্রাস্ট্রির ফলে ব্যবসা যেমন হচ্ছে, ক্ষতের উপর কিছুটা মলম মাখানোও হয়, কিন্তু ফান্ডামেন্টালি বিষয়টাকে অ্যাপ্রোচ করার সুযোগ নাই। বনের বাঘে খায় না, মনের বাঘে খায়। মনের বাঘ তো ইডিওলজিক্যাল।পশ্চিমের লোকজন যদি ভাত-কাপড়-চিকিৎসা পেয়েও থাকে, ক্যাপিটালিজমের প্যাথলজি/প্যারানয়া থেকে তো তাদের মুক্তি নাই।

সর্বাধিক পঠিত