প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাকে ফেরাতে তিন দফা চিঠি, সাড়া নেই ভারতের

নিউজ ডেস্ক : ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক ও সাময়িক বরখাস্ত বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ করে ভারত পালিয়ে যান। ভারত থেকে নেপাল যাওয়ার পথে তাকে আটক করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। আরটিভি

এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সেদেশের বিএসএফ কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা অপরাধমূলক একাধিক কাজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে দুই দফায় সাতদিনের রিমান্ড শেষে কোচ বিহার জেলার মেখলিগঞ্জের স্থানীয় নিম্ন আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে সোহেল রানা ভারতের কারাগারে আটক রয়েছেন।

আসামি সোহেল রানাকে ফেরাতে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তিন দফায় চিঠি দিয়েছে পুলিশ সদর সপ্তর। তবে তিন তিনবার চিঠি দিলেও ভারতের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া দেওয়া হয়নি। সেজন্য এই আসামিকে দেশে ফেরানোর বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে তারা। ধারণা করা হচ্ছে এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কূটনৈতিক উপায়ে সোহেল রানাকে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে সরকার।

এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মহিউল ইসলাম বলেন, সোহেল রানাকে ফেরাতে প্রথম ভারতকে দুই দফা চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু দুইবার চিঠির কোনো সাড়া না পাওয়ায় তৃতীয় দফায় আবারও পুলিশ সদর দপ্তর থেকে চিঠি পাঠানো হয়। সে চিঠিতেও ভারতের কোনো সাড়া মেলেনি। ফলে বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়তো এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফরওয়ার্ড করবে।

গত ১৭ আগস্ট অগ্রিম অর্থ পরিশোধের পরও মাসের পর মাস পণ্য না পাওয়ায় ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রতারণার শিকার গ্রাহক মো. তাহেরুল ইসলাম। ওই সময় তার সঙ্গে প্রতারণার শিকার আরও ৩৭ জন উপস্থিত ছিলেন। গ্রাহকের ১১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয় মামলায়।

মামলায় ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমানের পাশাপাশি বনানী থানার পরিদর্শক সোহেল রানাকেও আসামি করা হয়। আসামি করা হয় আমানউল্ল্যাহ, বিথী আক্তার ওকাউসার আহমেদ নামে আরও তিনজনকে।

সোহেল রানাকে প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার দেখানোর অনুমতি চেয়ে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের কাছে আবেদন করেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান। তবে এর আগেই তার পালিয়ে যাওয়ার খবর জানা গেলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত