প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ড. আতিউর রহমান: শেখ হাসিনা: আশা-সঞ্চারী নেতৃত্বের আরেক নাম

ড. আতিউর রহমান
বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বের পরম্পরায় গণমানুষের অধিকারের প্রশ্নটিই মুখ্য। বাঙালির বহুকালের বঞ্চনার ইতিহাসের সমাপ্তি ঘটানোর সংগ্রামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুই দিয়েছিলেন সুস্পষ্ট নির্দেশনা। চারপাশের পরিবেশ প্রতিবেশ থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলা ও বাঙালিকে তিনি স্বকীয় অস্তিত্বের এক অসাধারণ অনুভবের সন্ধান দিয়েছিলেন। বাঁচার মতো বাঁচার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। সেটিই ছিলো তাঁর মতো করে গড়ে তোলা বাঙালি জাতীয়তাবাদ। যার ভিত্তিতেই তিনি জাতি-রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। সেই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই শুরু করেছিলেন আর্থ-সামাজিক মুক্তির এক অনন্য সংগ্রাম। অপশক্তি তাঁকে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট আমাদের কাছ থেকে শারীরিকভাবে ছিনিয়ে নিলেও তাঁর অবিনাশী চিন্তা, কর্ম ও দর্শন আমাদের ভেতরে প্রোথিত থেকে গিয়েছিলো। তাই যেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অভিযাত্রা শুরু করেন সেদিন আমরা আবার নতুন করে বাঁচার জিয়নকাঠির সন্ধান পেয়েছিলাম। আবার বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে হাঁটবার আশায় উদ্বেলিত হয়েছিলাম। তাঁর দেশে ফেরায় যেন মেহনতি মানুষের আর্থসামাজিক মুক্তির স্বপ্নগুলো নতুন জীবন পেয়েছিলো। বস্তুতপক্ষে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সেই দিনটিই ছিল তাঁর প্রকৃত জন্মদিন। আমার কথা নয়। কবি সৈয়দ শামসুল হক অন্তত তাই মনে করতেন।
আর তাঁর ‘শেখ হাসিনার জন্মদিন’ নামের অসাধারণ ওই কবিতায় যথার্থই আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে ‘স্বর্গের ফুল মাটিতে ফোঁটানো’র মতো আশা-সঞ্চারি নেতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। আজ তাঁর জন্মদিনে নতুন করে ফিরে দেখছি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে ‘অদ্ভুত উটের পিঠে’ অন্ধকারের দিকে চলতে থাকা বাংলাদেশকে আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পথে ফিরিয়ে আনতে তাঁর সংগ্রাম, ত্যাগ আর বিচক্ষণ নেতৃত্বের অবদানগুলোকে।

১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়েই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখানো অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথে দেশকে দ্রুত ধাবিত করেছিলেন তিনি। ২০০১ সালে ষড়যন্ত্রকারীদের কারণে সে অভিযাত্রায় আবার ছেদ পড়ে। শুধু তাই নয়, দেশ-বিরোধী গোষ্ঠিগুলো তাঁকে বারে বারে হত্যা করতে পর্যন্ত উদ্যত হয়েছিলো। আমার স্পষ্ট মনে আছে ২০০৪ সালের একুশে আগস্টের পরের দিনগুলোর কথা। গ্রেনেড মেরে তাঁকে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল মানবতার শত্রুরা। কিন্তু তিনি দিক হারান নি। আবার ফিনিক্স পাখির মতো উঠে দাঁড়িয়েছেন। জেল খেটেছেন। কিন্তু মাথা নোয়াননি। এমন সংকট পারি দিয়ে বন্দীশালায় বসে স্বপ্ন দেখেছেন সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের। গণতন্ত্রের মানসকন্যা তাই জাতিকে ২০০৮ সালের শেষ প্রান্তে উপহার দিতে পেরেছিলেন বাঁক বদলের নির্বাচনী ইশতেহার ‘দিন বদলের সনদ’। সে সময়টায় খুব কাছে থেকে তাঁকে আমি দেখেছি। মুখে নেই ক্লান্তি। নেই অন্যায়ভাবে তাঁকে জেলে আটকে রাখার কোনো খেদ। দেখেছি শুধু স্বপ্নভরা এক মুখ। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে সোনার বাংলায় পৌঁছে যাবার অনাবিল আকুতি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ বিপুল ভোটে তাঁকে এবং তাঁর দলের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। এরপর আর তাঁকে পেছনে তাকাতে হয়নি। দিন বদলের সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় নেতৃত্ব তিনি দিয়ে চলেছেন দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এক নিঃশঙ্ক চিত্তে।

বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নীতি ভাবনায় যেমন সাধারণ মানুষের কল্যাণ ছিলো কেন্দ্রে, তেমনি তাঁর কন্যার উন্নয়ন কৌশলেরও মূলে রয়েছে তাদের সামগ্রিক কল্যাণ। বঙ্গবন্ধুকন্যাও একজন আশাবাদী দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। বহুদূরের বিষয়গুলো তিনি ঠিক ঠিক দেখতে পান বর্তমানে দাঁড়িয়েই। তাই যতোই দিন যাচ্ছে নানামুখী তাৎপর্যপূর্ণ নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ বঙ্গবন্ধুকন্যার শাসনামলের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হচ্ছে। তিনি যে একজন ‘ভিশনারি’ রাষ্ট্রনায়ক তার প্রমাণ তিনি সমকালীন এই করোনা সংকটকালে বেশ ভালোভাবেই রাখছেন। বর্তমানের ঝঞ্জাবিক্ষুব্ধ সময়ে দাঁড়িয়েও তিনি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে পারেন। এমন সঙ্কটকালেও তিনি বাজেটে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগান যুক্ত করতে পারেন। পারেন অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বাস্তবায়নে মনোযোগী হতে। পারেন ২০৪১ সাল নাগাদ পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনার সূচনা করতে। আরও পারেন শতবর্ষী ব-দ্বীপ পরিকল্পনার আলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে ঝুঁকিকে বাগে এনে সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখতে। ‘মুজিব ক্লাইমেট প্রস্পারিটি প্ল্যান’ সেরকমই দূরদর্শী তাঁর আরেক উদ্যোগ। এসব ভাবনার আলোকেই তিনি বিশ্বসভায় টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজনে ধনী দেশগুলোর দায়িত্বের কথা অকপটে বলতে পারছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতি প্রস্তাব দিয়ে চলেছেন। সারা বিশ্ব অবাক বিস্ময়ে তাঁর এই জলবায়ু নেতৃত্বের ধারা দেখছে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা গণমুখী অর্থনীতিতে বিশ্বাসী। সাধারণ মানুষের চোখ দিয়ে তিনি দেশের অর্থনীতিকে দেখেন। তিনি জানেন সমাজের নীচের তলার মানুষগুলোর আয়-রোজগার বাড়লে পুরো অর্থনীতিতে চাহিদা বাড়ে। বাড়ে ভোগ। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে সামাষ্টিক অর্থনীতির ওপর। সে কারণেই তিনি করোনা সংকট শুরু হবার পরপরই ২৩টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন। মোট জিডিপির ৪.৬ শতাংশ পরিমাণের এই প্রণোদনা অর্থনীতিকে ঝিমিয়ে পড়তে দেয়নি। প্রণোদনা কর্মসূচির সংখ্যা হালে আরও বেড়েছে। আর তাই আশে পাশের দেশের চেয়ে বাংলাদেশের গড় প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয় বেশি। কৃষি, প্রবাসী আয় এবং রপ্তানি খাত আমাদের অর্থনীতির তিন সবল খুঁটি। বঙ্গবন্ধুকন্যা এই তিন খুঁটিকে আরও সংহত করতে সদাই তৎপর। এসব খাতে প্রণোদনা দিতে তিনি উদার হস্ত।
কেবল এই করোনাকালেই নয়, গত এক যুগেরও বেশি সময়ে দূরদর্শী শেখ হাসিনা দুটো পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে দেখিয়ে দিয়েছেন যে- ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়। এখন তিনি তৃতীয় পরিকল্পনাটি বাস্তাবায়ন করছেন। অস্বীকার করার তো উপায় নেই যে অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের ভিত্তি তিনি এরই মধ্যে সুদৃঢ়ভাবে স্থাপন করে ফেলেছেন। আর তাঁর এই নয়া ধাঁচের উন্নয়ন কৌশলের মূল কথাই হচ্ছে: (১) দ্রুতপ্রবৃদ্ধি, তবে তা হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক; (২) ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তবে প্রযুক্তিকে জানাতে হবে স্বাগত; (৩) স্বয়ম্ভর তবে অন্য খাতের সাথে গড়তে হবে অংশীদারিত্ব। এই কৌশলেই তিনি ২০১০-২০২১ সালের প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, ২০২১-৪১ সালের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, ২০১১ সাল থেকে পর পর তিনটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সুদৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

জনগণের ও সরকারের উদ্ভাবনীশক্তি, রাষ্ট্রবহির্ভূত নানা খাতের অংশ গ্রহণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সর্বোপরি সামাজিক দায়বদ্ধ উন্নয়নের এক সুদূরপ্রসারি শক্ত পাটাতন এই বারো বছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঠিকই গড়ে তুলেছেন। আমাদের রিজার্ভ এখন ৪৬ বিলিয়ন ডলারের ওপর। আমাদের বিদেশি দায়-দেনা জিডিপির মাত্র ১৩.৪ শতাংশ। আমাদের মোট দেনা জিডিপির ৩৫ শতাংশ। ভিয়েতনামের ৫৭ শতাংশ। ভারতের ৭৯ শতাংশ। জাপানের ২৩৪ শতাংশ। আর তাই আমরা বড় বড় প্রকল্প হাতে নিতে ভয় পাই না। আমরা আশান্বিত এই কারণে যে এই ধারার উন্নয়নের সুফল আমরা এরই মধ্যে পেতে শুরু করেছি। কোভিড-১৯ আক্রমণের আগ নাগাদ বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার বিশ শতাংশের কাছাকাছি নেমে এসেছিল। রপ্তানিসহ আমাদের অর্থনীতির নানা সূচকের পুনরুদ্ধারের ধারা এখন দেখবার মতো। আমাদের গড় জীবনের আয়ু তিহাত্তর বছরের কাছাকাছি। মাছে-ভাতে বাঙালি এখন আরও বেশি স্বস্তিতে আছে। খাদ্যে উৎপাদনের সকল উপখাতেই বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। অর্থনীতির এই শক্তিশালী পাটাতনের ওপর ভর করেই গড়ে উঠবে আগামীর বাংলাদেশ। ওই বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু যেমনটি বলেছিলেন, ‘মায়েরা হাসবে, শিশুরা খেলবে’। এরই মধ্যে বাংলাদেশে কৃষি অসাধ্য সাধন করেছে। আবাদি জমি কমলেও দ্রুত যন্ত্রের ব্যবহারে উৎপাদনশীলতা বেড়েছে। কৃষিতে বহুমুখীকরণ ঘটেছে। মাছ, সবজি, চাল উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। ৯৫ শতাংশ জমি এখন যন্ত্রে চাষ হয়। তরুণ, শিক্ষিত কৃষক এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আধুনিক মূল্য সংযোজিত কৃষি।

আয় এই করোনাকালেও গত অর্থবছরে প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। নয়া কৃষিতে এই আয়ের বড় অংশ যুক্ত হচ্ছে। প্রাণী সম্পদের ব্যাপক উন্নতি চোখে পড়ার মতো। গ্রামে গ্রামে গরুর খামার গড়ে উঠেছে। এমন দুঃসময়েও সার্বিক কৃষি পাঁচ শতাংশের বেশি হারে বেড়েছে। মাছে-ভাতে বাঙালির সামনে অপার সম্ভাবনা হাতছানি দিচ্ছে। পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতির চাঙাভাবের কারণে গ্রামীণ মজুরিও বাড়ছে। অসংখ্য ক্ষুদে উদ্যোক্তা গড়ে উঠেছে। তাই গ্রামে দারিদ্র্য কমে গেছে। করোনাকালে শহরে দারিদ্র্য খানিকটা বাড়লেও এখন আবার কমতে শুরু করেছে। আধুনিক কৃষিতে বর্গা চাষীদের অবস্থানও শক্তিশালী হয়েছে। গ্রামীণ নারীর ক্ষমতায়ন ঘটেছে। গ্রামে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশি বেশি স্কুলে-কলেজে পড়ছে। তারা ভালো খাচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা পাচ্ছে। এই সঙ্কটকালে গ্রাম-বাংলা কর্মহীন শহরের অনেক মানুষকে কাজের সুযোগ করে দিয়েছে।

বারো বছরে বস্ত্র, চামড়া, সিরামিক, ওষুধ, পাট শিল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি ঘটেছে। বিশেষ করে পাট পণ্য আমাদের অর্থনীতির নয়া শক্তিমত্তার ইঙ্গিত করছে। পর পর তিনবার ক্ষমতায় থাকার কারণে শেখ হাসিনার সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপ্লব সাধন করেছে। বিগত একশ বছরে যেখানে মাত্র পাঁচ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। সেখানে গত মাত্র বারো বছরে এর চার গুনেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। প্রায় নিরানব্বই শতাংশ মানুষের ঘরে এখন বিদ্যুত পৌঁছে গেছে। যেখানে গ্রিডের বিদ্যুত যেতে পারছে না সেখানে সৌর বিদ্যুত পৌঁছে যাচ্ছে। সৌর বিদ্যুতের বড়ো বড়ো প্রকল্প হাতে নেয়া হচ্ছে। সরকারি ও ব্যক্তিখাত হাতে হাতে রেখে সবুজ বিদ্যুত প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে।

রবীন্দ্রনাথ তাঁর লক্ষ্য ও শিক্ষা প্রবন্ধে লিখেছেন- “আশা করিবার অধিকারই মানুষের শক্তিকে প্রবল করিয়া তোলে। … আশা করিবার ক্ষেত্র বড়ো হইলেই মানুষের শক্তিও বড়ো হইয়া বাড়িয়া ওঠে। … কোনো সমাজ সকলের চেয়ে বড়ো জিনিস যাহা মানুষকে দিতে পারে তাহা সকলের চেয়ে বড়ো আশা।” বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সেই আশাই সঞ্চারিত করে চলেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। তাঁর প্রমাণ গত এক যুগে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বিকাশের দুর্বার গতি। আজ যে করোনাজনিত বিপন্নতা কাটিয়ে আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছি, আবার আমাদের সম্ভাবনার দুয়ারগুলো খুলতে শুরু করেছে তার পেছনে বঙ্গবন্ধুকন্যার অসামান্য গণমুখী নেতৃত্বই তো প্রধানতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। জন্মদিনে তাই তাঁর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই। আরও বহু বছর যেন আমরা তাঁর দরদী নেতৃত্বের সুফল ভোগ করতে পারি- সেই প্রত্যাশাই করছি এই শুভ দিনে।
লেখক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত