প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মুশফিক ওয়াদুদ: কাতার পাওয়ার স্টাডির জন্য একটি ইন্টারেস্টিং কেস স্টাডি

মুশফিক ওয়াদুদ: আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পুরো ঘটনায় কম আলোচনা হয়েছে কাতারের ভূমিকা নিয়ে। কিন্তু এই পুরো প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বড় বেনিফিশিয়ারী কাতার। বলা যায় এর মাধ্যমে কাতার মধ্যস্থতাকারী শক্তিতে পরিণত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বাইডেন অফিসিয়ালী কাতারের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। এই মধ্যস্থতার মাধ্যমে কাতার অন্তত তিনটি দেশের ওপর প্রভাব সৃষ্টির সুযোগ পেয়েছে : যুক্তরাষ্ট্র, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান। যদিও সফলতা অনেকটাই নির্ভর করে তালেবানদের ম্যাটিউরিটির ওপর, কিন্তু কাতার প্রাথমিক সফলতা পেয়েছে এটা বলা যায়। আফগানিস্তান ভালোভাবে শাসিত হলে, তালেবানরা ম্যাচিউরিটি দেখাতে পারলে কাতারের বড় ধরনের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। আর এই ভূমিকা দিয়ে কাতার আসলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য শক্তিগুলোকে বিশেষ ভাবে সৌদি আরব এবং আরব আমিরাতকে পেছনে ফেললো।

মধ্যাপ্রাচ্যে গত দু’দশক কাতারের দশক বলা যায়। কাতার যেদিকে বিনিয়োগ করেছে সেদিকেই সফল হয়েছে। সেটা কাতার এয়ারওয়েজ হোক, আল জাজিরা হোক কিংবা বিশ্বকাপ আয়োজন হোক। কোভিডের সময় কাতার এয়ারওয়েজ যে সার্ভিস দিয়েছে সেটা অকল্পনীয়। কয়েক বছর আগে সৌদি আরবের রক্তচক্ষুকে সফলতার সঙ্গে মোকাবেলা করেছে। কাতার পাওয়ার স্টাডির জন্য একটি ইন্টারেস্টিং কেস স্টাডি। সাংঘর্ষিক পক্ষগুলোর সঙ্গে দেশটির ভালো সম্পর্ক। একদিকে মুসলিম ব্রাদারহুডের পৃষ্ঠপোষক, অন্য দিকে ইসরায়েলের সঙ্গেও সম্পর্ক খারাপ না। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাটির হোস্ট, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক। একদিকে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, অন্যদিকে ভারতের সঙ্গেও খারাপ সম্পর্ক না। ফেসবুক থেকে

 

সর্বাধিক পঠিত