প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ই-স্কুটার উৎপাদন ৫ গুণ বাড়াতে ভারতের হিরো বিনিয়োগ করবে ৭ বিলিয়ন রূপি

সালেহ্ বিপ্লব: [২] তেলচালিত বাইকের মাধ্যমে বায়ুদূষণ অনেক বেশি হয়। এমনকি গাড়ির চেয়েও বেশি দূষণ ঘটায়। ইকনোমিক টাইমস, ব্লুমবার্গ, হিন্দুস্তান টাইমস

[৩] দূষণ রোধে ই-স্কুটার জনপ্রিয় হচ্ছে দিন দিন। ভারতের সবচেয়ে বড়ো ই-স্কুটার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হিরো ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নবীন মুনজাল এক সাক্ষাতকারে বলেন, ২০২৭ সালে ১০০ ভাগ ইলেকট্রিক স্কুটার চালুর জন্য ভালো সময়। তার মতে, বাধ্যতামূলক করে দিলে ভারতের গাড়ি উৎপাদনকারিরা বৈদ্যুতিক গাড়ির দিকে ঝুঁকবে।

[৪] ভারতে তেলচালিত গাড়ি থেকে বিদ্যুৎচালিত গাড়িতে যাবার পথে বাধা দুটি। প্রথমত উচ্চমূল্য, দ্বিতীয় চার্জ দেওয়ার অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা। বিশ্বে ই-স্কুটারের ৯৭ ভাগ উৎপাদন করে চীন। কিন্তু ভারতের বাজারে তাদের বিক্রি ১ শতাংশেরও কম।

[৫] বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো মটর সাইকেল প্রস্তুতকারক হিরো মটোকর্প লিমিটেড ২০২২ সালের মার্চের মধ্যে তাদের প্রথম ই-স্কুটার বাজারে আনবে।

[৬] বাজাজ অটো লিমিটেড আগামী বছরের দ্বিতীয়ার্ধে তাদের ই-স্কুটার শেতাক বাজারে সরবরাহ শুরু করতে চায়। কোম্পানিটি ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড স্কুটার তৈরি করতে একটি ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনাও করেছে।

[৭] টিভিএস মোটর কোম্পানি বিক্রি করে ই-স্কুটারের একটি মাত্র মডেল ‘আই কিউব’, তাও শুধুমাত্র দিল্লি ও ব্যাঙ্গালুরুতে। শিগগিরই ভারতের আরো ২০টি শহরে স্কুটার বিক্রি শুরুর পরিকল্পনা তাদের।

[৮] হিরো ইলেকট্রিক নতুন করে ৭ বিলিয়ন রূপি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। স্কুটার উৎপাদন ক্ষমতা ৫ গুণ বাড়িয়ে বছরে ৫ লাখ করার টার্গেট তাদের। নয়াদিল্লিভিত্তিক কোম্পানিটি ভারতজুড়ে এখন চার্জিং স্টেশন বসানোর কাজ করছে।

[৯] আন্তর্জাতিক বাজারেও উপস্থিতি বাড়াতে চায় হিরো। নবীন মুনজাল বলেন, আমরা ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকায় ই-স্কুটার রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাজারে প্রতিযোগিতা খুব দ্রুতই বেড়ে উঠবে। আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।

সর্বাধিক পঠিত