প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ২০২২ সালের মধ্যে দরিদ্র দেশগুলোকে দেয়া জলবায়ু তহবিলের প্রতিশ্রুতির লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে

লিহান লিমা: [২] ২০২০ সালের মধ্যে নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলায় ১০০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে ধনী দেশগুলো। জলবায়ু সংকটের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী ধনী দেশগুলোর এই আচরণকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বড় ভূক্তভোগী উন্নয়নশীল দেশগুলো। গার্ডিয়ান

[৩] তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ এবং চীনের সাম্প্রতিক প্রতিশ্রুতি এই অর্থায়নের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে।জলবায়ু অর্থনীতিবিদ নিকোলাস স্টার্ন বলেছেন, উন্নয়নশীল দেশগুলো আগামী বছরের মধ্যেই জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদী তহবিল পেতে পারে।

[৪]২০০৯ সালে উন্নয়নশীল বিশ্বের দেশগুলোকে ২০২০ সালের মধ্যে বছরে কমপক্ষে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো ধনী দেশগুলো। তা অর্জিত না হলেও সম্প্রতি দেশগুলো প্রতিশ্রুতি সেটিকে সম্ভবনাময় করে তুলেছে।

[৫]লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিক্সের গ্রান্থাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট চেঞ্জের চেয়ারম্যান লর্ড স্টান গার্ডিয়ানের সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, ‘আমি মনে করি আগামী বছরে দাতা দেশগুলোর অর্থায়ন ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। বিশ্বব্যাংকের মতো বিভিন্ন উন্নয়ন ব্যাংকগুলো প্রবাহ বাড়াবে।’

[৬]মঙ্গলবার জাতিসংঘের অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র তার অর্থায়ন দ্বিগুণ করে ২০২৫ সালের মধ্যে বছরে ১১.৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করবে। চীন বিদেশে নতুন কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিযেছে। স্টান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিশ্রুতিগুলো অত্যন্ত ইতিবাচক। তবে দরিদ্র দেশগুলোকে চরম আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তায় আরো তহবিল গঠন করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত